ডিএমপি
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানীজুড়ে ডিএমপির নিরাপত্তা জোরদার
আগামীকাল ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দিবসটিকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের নাশকতা, অপ্রীতিকর ঘটনা বা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা মোকাবেলায় এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাজধানীজুড়ে পিকেট ও চেকপোস্ট ডিউটি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিশেষ করে মহানগরের সকল প্রবেশপথে তল্লাশি কার্যক্রম ও চেকপোস্ট পরিচালনা জোরদার থাকবে। পাশাপাশি ডিবি ও সিটিটিসি সাদা পোশাকে সকল গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যুতে অপারেশনাল কাজে মোতায়েন থাকবে। যেসব স্থানে সাধারণ মানুষের সমাগম বেশি হবে, সেখানে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং ডগ-স্কোয়াড ইউনিটের মাধ্যমে বিশেষ সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এছাড়া, সকল অনুষ্ঠানস্থল এবং জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ এলাকাকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত করে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের নজরদারিতে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে সাদা পোশাকে সিটিএসবি ও আইএডির গোয়েন্দা কার্যক্রম পুরোদমে অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো ধরনের জরুরি পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রাখা হচ্ছে পর্যাপ্ত সংখ্যক কুইক রেসপন্স টিম।
নিয়মিত মোতায়েনের পাশাপাশি ডিএমপির অতিরিক্ত ফোর্সসহ র্যাব ও সিআইডি যৌথভাবে মহানগরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে সক্রিয় থাকবে। সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য সকল উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ সরাসরি মাঠে উপস্থিত থেকে ডিউটি তদারকি করবেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
দেশে উগ্রবাদ মাথাচাড়া দেওয়ার আশঙ্কা নেই: সিটিটিসি প্রধান
দেশে বর্তমানে উগ্রবাদ মাথাচাড়া দেওয়ার মতো কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শামসুল হক। তিনি বলেছেন, উগ্রবাদী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, গোয়েন্দা তথ্য ও নিজস্ব ডাটাবেজের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশে কোনো জঙ্গিবাদ নেই বলে বারবার দাবি করেছে। অথচ জঙ্গিবাদ দমনে বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে সিটিটিসি গঠনের পরও কেরানীগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে বোমা বিস্ফোরণ এবং সর্বশেষ মতিঝিলে ছাতার ভেতর বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। এসব বিষয়কে সিটিটিসি কীভাবে দেখছে এবং বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাগুলোর তদন্তে উগ্রবাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে কি না—জানতে চেয়েছিলেন সাংবাদিকরা।
জবাবে সিটিটিসি প্রধান বলেন, সিটিটিসি ইউনিটের বেশ কয়েকটি বিভাগ রয়েছে। এর মধ্যে একটি বিভাগ কাউন্টার টেররিজম। এছাড়া আরও কয়েকটি বিভাগ রয়েছে যারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে কাজ করছে।
তিনি বলেন, উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডের ওপর অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও নিজস্ব ডাটাবেজের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। কোনো তথ্য পাওয়া মাত্রই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। উগ্রবাদী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে রাখতে সিটিটিসি সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
উগ্রবাদ মাথাচাড়া দিচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনই এমন কোনো মন্তব্য করার সুযোগ নেই। তবে দেশের পরিস্থিতিতে আশঙ্কাজনক কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
মতিঝিলে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনাটি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এবং বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। বর্তমানে ঘটনাটি নিয়ে মতিঝিল বিভাগ তদন্ত করছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ ঘটনায় কারা জড়িত ছিল বা তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।
সংবাদ সম্মেলনে জঙ্গিবাদসংক্রান্ত গ্রেপ্তার ও মামলার অগ্রগতি নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। জবাবে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শামসুল হক বলেন, গ্রেপ্তারের সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান পরে জানানো হবে। তবে তিনি জানান, আলোচিত পাতা কমব্যাট মামলায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে আরও কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।
সিটিটিসি জানিয়েছে, সম্ভাব্য উগ্রবাদী তৎপরতা প্রতিরোধে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রম আগের মতোই অব্যাহত থাকবে।
৮ দিন আগে
মতিঝিলে চাঁদাবাজি ও গুলিবর্ষণ মামলায় শুটার বাপ্পিসহ গ্রেপ্তার ৫
রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় চাঁদাবাজি ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত শুটার তানিম রেজা ওরফে বাপ্পি এবং তার চার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে তিনটি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও সাত রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সন্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি) এবং অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ ওসমান গণি এসব তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার অন্য চারজন হলেন— মোহাম্মদ জুয়েল (৪৮), শাকিল (২৭), মো. মানিক কাজী (৫০) ও রাকিবুল ইসলাম ভূঁইয়া ওরফে রিজন (৩৫)।
পুলিশ বলছে, রাজধানীর দক্ষিণ কমলাপুরে কোরবানির পশুর হাটের এক ইজারাদারের অফিস লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এছাড়া, বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবিতে প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায়ও তাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে।
মোহাম্মদ ওসমান গণি বলেন, গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর মতিঝিলের হোটেল পূর্বাণী সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তানিম রেজা ওরফে বাপ্পি ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে মতিঝিল বিভাগ। পরে তাদের দেওয়া তথ্য এবং প্রযুক্তির সহায়তায় উত্তর কমলাপুর থেকে আরেক সহযোগী রাকিবুল ইসলাম ভূঁইয়া ওরফে রিজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি বলেন, গত ১৯ মে দক্ষিণ কমলাপুরে কোরবানির পশুর হাটের এক ইজারাদার ব্যবসায়ীর অফিস লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণ করে। ১৫ মে একই ব্যবসায়ীর কাছে বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের হওয়ার পর তদন্তে তানিম রেজা বাপ্পি ও তার সহযোগীদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকায় তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৭ জুলাই দিনগত রাতে দক্ষিণ কমলাপুরে বাপ্পির অফিসে অভিযান চালানো হয়। সেখানে একটি বিদেশি রিভলভার, দুটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচ রাউন্ড রিভলভারের গুলি, দুই রাউন্ড পিস্তলের গুলি, দুইটি ম্যাগাজিন, একটি ইলেকট্রিক শক গান এবং একটি বিদেশি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় মতিঝিল থানায় অস্ত্র আইনে পৃথক একটি মামলা করা হয়েছে বলেও জানান ডিএমপির এই কর্মকর্তা।
ওসমান গনি বলেন, তানিম রেজা ওরফে বাপ্পি একজন অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন গুলিবর্ষণের ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার তথ্য রয়েছে। এছাড়া মতিঝিল এলাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে। গ্রেপ্তার তানিম রেজা বাপ্পির বিরুদ্ধে ডিএমপির বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজি, দস্যুতা, অপহরণ, হত্যা চেষ্টা, নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট সাতটি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি তাদের অন্য সহযোগীদের গ্রেপ্তার এবং আরও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার।
১৭ দিন আগে
ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৩৭৭ জন গ্রেপ্তার, মামলা ৪১
রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭৭ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। একই সময়ে ৪১টি মামলা করা হয়েছে।
ডিএমপির তথ্যমতে, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৪০ জন, লালবাগ বিভাগে ২৬ জন, ওয়ারী বিভাগে ৫৫ জন, মতিঝিল বিভাগে ২৫ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৬৪ জন, মিরপুর বিভাগে ৮৫ জন, গুলশান বিভাগে ৩২ জন, উত্তরা বিভাগে ৪৩ জন ও গোয়েন্দা বিভাগে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় তাদের হেফাজত হতে ৩ হাজার ৩০ পিস ইয়াবা, ৫৫ কেজি ২৩০ গ্রাম গাঁজা, ১ হাজার ২০০ বোতল ফেন্সিডিল, ১টি প্রাইভেটকার, ২টি মাইক্রোবাস, ১টি তালা কাটার মেশিন, ৬টি মোবাইল, ৩৩০ টাকা ও একজন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানান, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান ডিএমপির এই কর্মকর্তা।
২১ দিন আগে
ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২৪ জন গ্রেপ্তার
রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত ৪২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে ৬৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ৪১ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ২৬ জন, ওয়ায়ী বিভাগ থেকে ৫২ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৪৮ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৫৫ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ৯৭ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ৩৯ জন, উত্তরা বিভাগে ৬৩ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪৮ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা, ৫ হাজার ২১৮ পিস ইয়াবা, ১৫ পুরিয়া হেরোইন, ৪ বোতল ফেন্সিডিল, ১টি চাপাতি, ১টি চাকু, ১টি রশি, ২টি ইনজেকশন প্যাথেডিন, ২৪টি মোবাইল, ২ জন ভিকটিম, মাদকদ্রব্য সেবনের সরঞ্জামাদি, বিভিন্ন প্রজাতির ১১০৪টি প্রাণী, ৭৫ কেজি লেবু ও ১টি মেমো উদ্ধার করা হয়।
নিয়াজ মেহেদী আরও জানান, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপির বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
৩২ দিন আগে
আ.লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ১৮ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ১৮ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) পরিচালিত পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এর মধ্যে মিরপুর থানা পুলিশ ৩ জন, রমনা, ধানমণ্ডি, হাজারীবাগ, ও তেজগাঁও থানা পুলিশ ২ জন করে এবং শাহবাগ, বংশাল, সূত্রাপুর, পল্টন, শিল্পাঞ্চল, পল্লবী ও কাফরুল থানা পুলিশ একজন করে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে উল্লেখ করে ডিএমপি জানিয়েছে, জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
৪২ দিন আগে
আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ডিএমপি
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে আয়োজিত তাজিয়া মিছিল ও বিভিন্ন শোক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) পুরান ঢাকার হোসেনী দালান ইমামবাড়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ তথ্য জানান।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, এবারের পবিত্র আশুরা উপলক্ষে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন বিভাগ (লালবাগ, ওয়ারী, রমনা, তেজগাঁও, মতিঝিল ও মিরপুর) থেকে মোট ২৮টি ইমামবাড়া কর্তৃক ১ থেকে ৭ মহররম পর্যন্ত ১০টি, ৮ মহররমে ১০টি, ৯ মহররমে ১৯টি এবং ১০ মহররমে ২৪টি-মোট ৬৩টি তাজিয়া মিছিল বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি তাজিয়া মিছিলের রুট নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতিটি তাজিয়া মিছিল ও প্রধান প্রধান সমাবেশস্থলকে কেন্দ্র করে ব্যারিকেড, পিকেট, লাইনিং এবং রুফটপ নজরদারি ডিউটি মোতায়েন থাকবে। হোসেনী দালান ইমামবাড়াসহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল ইমামবাড়া এবং সমাবেশস্থলগুলো ড্রোন ক্যামেরা ও সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
ডিএমপি কমিশনার জানান, যেকোনো ধরনের নাশকতা বা অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঢাকা মহানগর পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট, স্পেশাল ব্রাঞ্চ, র্যাব এবং সিটিটিসির ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল টিম দ্বারা প্রতিটি ভেন্যু ও রুট সুইপিং বা তল্লাশি করা হবে। পাশাপাশি ইমামবাড়া বা সমাবেশস্থলগুলোতে আর্চওয়ে গেট এবং মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি ও ম্যানুয়াল চেকিং নিশ্চিত করা হবে।
তিনি জানান, হোসেনী দালান ইমামবাড়ায় একটি অস্থায়ী সাব-কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া আঞ্জুমান হায়দারী, বড় কাটারা ইমামবাড়া, শিয়া মসজিদ, বিবিকা রওজা এবং মিরপুর ও মোহাম্মদপুরের বিহারি ক্যাম্পসহ গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানগুলোকে পুলিশের বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে। এসব স্থানে সার্বক্ষণিক সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রাখা হয়েছে।
মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ডিএমপির সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, ডগ স্কোয়াড, ক্রাইম সিন টিম ও ডিবিসহ অন্যান্য বিশেষায়িত ইউনিট স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে।
৪২ দিন আগে
তাজিয়া মিছিলে অস্ত্র-আতশবাজি নিষিদ্ধ: ডিএমপি
আশুরা উপলক্ষে আগামী শুক্রবার অনুষ্ঠেয় তাজিয়া মিছিলে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র বহন এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
রবিবার (২১ জুন) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়।
এতে বলা হয়, তাজিয়া মিছিলে কিছু ব্যক্তি দা, ছোরা, কাঁটা, বর্শা, বল্লম, তরবারি ও লাঠি নিয়ে অংশগ্রহণ করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন, যা জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করে।
মহররম উপলক্ষে আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর রেওয়াজ থাকলেও তা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, তাজিয়া মিছিলের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অস্ত্রসদৃশ সামগ্রী বহন এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।
৪২ দিন আগে
বিসিবি নির্বাচন ও অস্ট্রেলিয়া সিরিজ ঘিরে ডিএমপির বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন-২০২৬ এবং বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দলের মধ্যকার সিরিজকে কেন্দ্র করে মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম-সংলগ্ন সড়কে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
শনিবার (৬ জুন) ডিএমপির এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ৭ জুন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন এবং বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ও অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দলের মধ্যকার অনুশীলন ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া ৯ জুন প্রথম ওয়ানডে, ১১ জুন দ্বিতীয় ওয়ানডে এবং ১৪ জুন তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এ কারণে উল্লিখিত তারিখগুলোতে শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম-সংলগ্ন প্রশিকা সড়ক সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত যানবাহন চলাচলের জন্য বন্ধ থাকবে।
ডিএমপি নগরবাসী ও যানবাহন চালকদের ওই সড়ক পরিহার করার অনুরোধ জানিয়েছে। সেই সঙ্গে বিকল্প সড়ক হিসেবে প্রশিকা ক্রসিং-শিয়ালবাড়ি ক্রসিং-রাইনখোলা-ঈদগাহ মাঠ হয়ে মিরপুর-১ অভিমুখে চলাচল করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
৫৯ দিন আগে
নতুন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অতিরিক্ত আইজিপি (অপরাধ তদন্ত বিভাগ) মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
রবিবার (১৭ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলি ও পদায়নের আদেশ দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসহকারী সচিব তৌহিফ আহমেদ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের এই কর্মকর্তাকে নতুন ডিএমপি কমিশনার হিসেবে বদলি ও পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডিএমপির নতুন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এর আগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
৭৯ দিন আগে