ঢাকা
গাবতলীতে মাছবাহী গাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণে যুবক নিহত
রাজধানীর গাবতলীতে মাছবাহী ফ্রিজিং গাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ইমরান হোসেন (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গাড়িচালক মো. ফারুক হোসেন (৪০) আহত হয়েছেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে গাবতলীর দীপনগর মাছের আড়তের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইমরানের বাড়ি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায়। তার বাবার নাম সারোয়ার মোল্লা। নিহত ও আহত দুজনই দীপনগরের একটি রেফ্রিজারেটরের দোকানে কাজ করতেন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ১১টার দিকে ইমরানকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত ফারুক হোসেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহত ইমরানের মামাতো ভাই সবুজ জানান, দীপনগর এলাকায় একটি রেফ্রিজারেটরের দোকানের সামনে মাছবাহী ফ্রিজিং গাড়ি মেরামত ও গ্যাস ভরার কাজ চলছিল। এ সময় হঠাৎ গাড়িটির সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। এতে ইমরান ও ফারুক হোসেন আহত হন। পরে স্থানীয় একটি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক ইমরানকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, ইমরানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আহত ফারুক জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
১ দিন আগে
মানিকগঞ্জে শহিদ মিনার থেকে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ধলেশ্বরী সেতুসংলগ্ন মাঠের শহিদ মিনার থেকে সিহাব (১৫) নামে এক কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (৯ আগস্ট) সকালে স্থানীয় লোকজন শহিদ মিনারে মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত সিহাব সদর উপজেলার হিজুলি এলাকার সেলিম মিয়ার ছেলে। সে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড কাঁচাবাজারের মাছ ব্যবসায়ী মো. মনির হোসেনের কর্মচারী হিসেবে কাজ করত।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন জানান, গতকাল (শনিবার) রাত থেকে ছেলেটি নিখোঁজ ছিল। সকালে স্থানীয় কয়েকজন শহিদ মিনারে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
তিনি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
১ দিন আগে
তেজগাঁওয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল যুবকের
রাজধানীর তেজগাঁও থানাধীন মহাখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় মো. ইমরান (১৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে মহাখালীর পাগলার পোল এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বেলা সাড়ে ১১টার তাকে দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতাল থেকে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী হাজীরন সোম বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মহাখালী পাগলার পোল এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় ট্রেনের ধাক্কায় মো. ইমরান গুরুতর আহত হন। পরে আমরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। ওই হাসপাতালে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে এখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
নিহত ইমরান ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর থানার কামারপুকুর গ্রামের পার্থ মিয়ার ছেলে। বর্তমানে তিনি মহাখালী এলাকায় থাকতেন বলে জানান তিনি।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা মরদেহটি রাখা হয়েছে। বিষয়টি রেলওয়ে থানাকে জানানো হয়েছে।
২ দিন আগে
নরসিংদীতে পানিতে ডুবে দুই শিশু নিহত
নরসিংদীর মনোহরদীতে সড়কের পাশের ডোবায় ডুবে তাওহীদ (৭) ও নাবিল (৬) নামের দুই শিশু নিহত হয়েছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার একদুয়ারিয়া ইউনিয়নের নোয়াদিয়া গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই শিশু সম্পর্কে ফুফাতো-মামাতো ভাই ছিল। নিহত নাবিল মনেহরদী উপজেলার একদুয়ারিয়া ইউনিয়নের নোয়াদিয়া গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে আর তাওহীদ পার্শ্ববর্তী শিবপুর উপজেলার চক্রধা ইউনিয়নের বৈলাব গ্রামের মো. মাহবুবুর রহমানের ছেলে।
নিহতদের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে নোয়াদিয়া এলাকায় সড়কে ঘুরতে বের হয়েছিল নাবিল ও তাওহীদ। একপর্যায়ে নির্জন সড়কটির একটি ডোবায় পড়ে যায় নাবিল। তাকে টেনে তুলতে গিয়ে তাওহীদও ডোবায় ডুবে যায়। কিছুক্ষণ পর একজনের মরদেহ ভেসে উঠলে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করতে টেনে তোলার সময় দেখা যায় তার হাতে অপর আরেক শিশুর হাত ধরা। এ সময় স্থানীয়রা ওই শিশুটিকেও পানির নিচ থেকে উদ্ধার করে।
পরে দুজনকে অচেতন অবস্থায় শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, নিহত দুই শিশুর পরিবারের সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের মরদেহ বিনা ময়নাতদন্তে হস্তান্তর করা হয়েছে।
২ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের দগ্ধ ৩
নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের ৩ সদস্য গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে সদর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।
দগ্ধরা হলেন— মাইদুল (২৪), তার স্ত্রী বিউটি (২৪) ও তাদের ছেলে মারুফ (৮)। তারা সবাই নারায়ণগঞ্জ সদর এলাকার বাসিন্দা।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আজ (শুক্রবার) সকালে দগ্ধদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় বার্ন ইনস্টিটিউটে আনা হয়। তাদের তিনজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। তাদের মধ্যে মাইদুলের শরীরের ৮৫ শতাংশ, বিউটির ৮০ শতাংশ ও মারুফের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বর্তমানে তারা নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
৩ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে ছাত্রদল-শিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ১৫
নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় ইসলামী ছাত্র শিবির ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে সরকারি তোলারাম কলেজ মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন—ছাত্রদলকর্মী তুহিন, জাকারিয়া, অলক, তোফায়েল, আলামিন, তানজিম, রাসেল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি অমিত হাসান, অফিস সম্পাদক রায়হান, তোলারাম কলেজ শাখা সভাপতি এমদাদুল হক শুভ, সাধারণ সম্পাদক তামিম ইকবাল, অর্থ সম্পাদক জুহাজ, বন্দর থানার সভাপতি আসাদুল ইসলাম।
হামলার ঘটনায় কলেজ রোড এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় আশপাশের দোকানপাট বন্ধ করে দিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যান ব্যবসায়ীরা। এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনার প্রায় দেড় ঘণ্টা পর পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রত্যক্ষদর্শী সরকারি তোলারাম কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থী ও পুলিশ জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে কলেজের অডিটোরিয়ামে সভা চলছিল। সেখানে ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতারাও বক্তব্য রাখেন। এ সময় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির একে অপরের উদ্দেশে উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখেন। পরে পাল্টাপাল্টি এ বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তারা কলেজ রোড ও চাষাঢ়ায় সংঘর্ষে জড়ান। সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষের লোকজনের হাতে লাঠিসোঁটা, লোহার পাইপ ও বাঁশ দেখা যায়।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম রাজীব জানান, পরিকল্পিতভাবে ছাত্রশিবির এ হামলা করেছে। তাদের ৩০ জনের মতো নেতাকর্মী কলেজের ভেতর ছিলেন। আর ডাকবাংলোর মোড়ে ছিলেন ২০০ জনের মতো কর্মী। তারা আগে থেকেই লাঠি নিয়ে প্রস্তুত ছিলেন। কলেজের ভেতরে তর্কাতর্কি হওয়ার সময় ছাত্রশিবিরের কর্মীরা অতর্কিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালায়।
তিনি দাবি করেন, হামলায় ছাত্রশিবির দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করেছে। ছাত্র শিবিরের কলেজ শাখা সভাপতি এমদাদুল হক শুভ নিজে অস্ত্র হাতে হামলা করেছেন।
এদিকে, ছাত্রশিবির মহানগর শাখার সভাপতি অমিত হাসান এ ঘটনায় ছাত্রদলকে দোষারোপ করে বলেন, কলেজে অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কলেজ গেটের বাইরে আমাদের কলেজ শাখা সভাপতি শুভ ও সাধারণ সম্পাদক তামিম ইকবালকে বেধড়ক পেটানো হয়। এ খবর পেয়ে আমি ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে যাই। কারণ তাদের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক আছে। কিন্তু যাওয়ার সময় ডাকবাংলোর মোড়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর হামলা করে।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন পক্ষ অভিযোগ বা মামলা করেনি।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এসপি) হাসিনুজ্জামান বলেন, তোলারাম কলেজে আলোচনা সভায় বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ছাত্র শিবির ও ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ৪ থেকে ৫ জন আহত হয়েছেন, তবে তাদের কারও মারাত্মক জখম হয়নি।
তিনি বলেন, তদন্ত করে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের পর যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
রাজবাড়ীতে সাংবাদিককে মারধরের মামলায় গ্রেপ্তার ১
রাজবাড়ীর পাংশায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে দৈনিক কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি মো. আকাশ মাহমুদকে (২৫) মারধরের ঘটনায় জড়িত মো. বিশু সরদার (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পাংশা উপজেলার মৈশালা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে পাংশা মডেল থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার বিশু সরদার পাংশা উপজেলার কুলটিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে পাংশা উপজেলার মৈশালা বাসস্ট্যান্ডের দক্ষিণ পাশে নাদুরিয়া ঘাটগামী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ডে স্থানীয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে অটোরিকশা চালকদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে গেলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত দৈনিক কালের কণ্ঠের রাজবাড়ী জেলার মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আকাশ মাহমুদ পেশাগত কাজের জন্য মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করতে থাকেন।
বিষয়টি দেখে ফেলায় কয়েকজন অটোরিকশাচালক লাঠিসোঁটা নিয়ে সাংবাদিক আকাশ মাহমুদের ওপর হামলা চালায়। নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পরও হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থান গুরুতর জখম হয়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গেলে তিনি কোনোভাবে প্রাণে রক্ষা পান। পরে সাংবাদিক আকাশ মাহমুদকে উদ্ধার করে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।
পরবর্তী সময়ে এ ঘটনায় আহত সাংবাদিক আকাশ মাহমুদ বাদী হয়ে হামলার গত ২৬ জুলাই পাংশা মডেল থানায় একটি মামলা করেন। মামলার তদন্তের আলোকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আজ (বুধবার) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর মৈশালা বাসস্ট্যান্ড থেকে বিশু সরদারকে গ্রেপ্তার করে।
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, ‘মামলা দায়েরের পর তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার সঙ্গে বিশু সরদারের সম্পৃক্ততা খুঁজে পায়। তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হিসেবে আজ সকালে বিশু সরদারকে গ্রেপ্তারের পর দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়।
হামলার সঙ্গে জড়িত অপর আসামিদেরও গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৫ দিন আগে
ফরিদপুরে স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান, ৫ হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষণা
ফরিদপুরে অভিযান চালিয়ে ৫টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানগুলোতে অব্যবস্থাপনা ও লাইসেন্সবিহীন কার্যক্রম পরিচালনার প্রমাণ পাওয়ায় করায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অবস্থিত এসব প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিভিল সার্জন ডা. মাহামুদুল হাসান। এ সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমান ও নাজমুন নাহার নাঈম উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে আল-জারা স্পেশালাইজড হাসপাতাল, মেডিকো হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, লিলি প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হলিসিটি প্রাইভেট হাসপাতাল ও মা-মনি ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এছাড়া এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি থাকা রোগীদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অথবা অন্য উপযুক্ত হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুলাই আল-জারা স্পেশালাইজড হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় আয়েশা আফরিন (১৭) নামে এক কলেজছাত্রীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে হাসপাতালটির বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার বিষয় উঠে আসে।
তারই পরিপ্রেক্ষিতে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সরেজমিনে পরিদর্শন করে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এ সময় হাসপাতালটির নানা অব্যবস্থাপনার সত্যতা পাওয়া যায়। যার মধ্যে অস্ত্রোপচার কক্ষে (ওটি) অব্যবস্থাপনা, অস্ত্রোপচার-পরবর্তী রোগীদের শয্যায় মনিটর না থাকা এবং ৩০ শয্যার হাসপাতালের জন্য নির্ধারিত সংখ্যক চিকিৎসক ও নার্স না থাকাসহ বিভিন্ন অনিয়ম উঠে আসে। পরে হাসপাতালটির অস্ত্রোপচারসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন সিভিল সার্জন মাহামুদুল হাসান। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক আতিকুল আহসানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।
এছাড়া একই এলাকার আরও ৪টি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করেন সিভিল সার্জন। লাইসেন্স ছাড়া পরিচালনা করার অপরাধে এসব হাসপাতালের কার্যক্রমও বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
অভিযান শেষে সিভিল সার্জন মাহামুদুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ‘যেখানে নিয়মবহির্ভূতভাবে স্বাস্থ্যসেবার কার্যক্রম পরিচালিত হবে, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক আমরা সেগুলো বন্ধ করে দেব।’
তিনি বলেন, ‘প্রতিটি মানুষ যাতে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পায়, সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমাদের। সেই লক্ষ্যে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
আল-জারা হাসপাতালে রোগী মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যিনি অস্ত্রোপচার করেছেন, তিনি একজন অভিজ্ঞ সার্জন এবং সহকারী অধ্যাপক। এই হাসপাতালে এসে অস্ত্রোপচার করা তার ঠিক হয়নি। তার বিরুদ্ধেও আমরা ব্যবস্থা নেব এবং তাকে শোকজ করা হবে।’
৫ দিন আগে
ডিবি হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু: ওসিসহ অভিযানে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ
ফরিদপুরে ডিবি হেফাজতে মধুখালীর ছাত্রলীগ কর্মী মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্তর (২৭) মৃত্যর ঘটনায় ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-সহ অভিযানে অংশ নেওয়া সব পুলিশের সদস্যদের নামে বিভাগীয় মামলা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গঠিত জেলা পুলিশের অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্যের আলোকে এই সুপারিশ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী এ তথ্য জানান। ইতোমধ্যে প্রতিবেদনসহ সুপারিশপত্র পুলিশের সদর দপ্তরে পাঠিয়ে দিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তিনি।
পুলিশ সুপার বলেন, আভ্যন্তরীণ তদন্তে ওসিসহ ডিবি পুলিশের ১১জন সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
গত ২০ জুন বিকেলে মধুখালী পৌরসভার পশ্চিম গোন্ধারদিয়া এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত নিজ বাড়ির সামনে থেকে ইশতিয়াককে আটক করে ডিবি পুলিশ। পরদিন (২১ জুন) সকালে ডিবি হেফাজতে অসুস্থ হয়ে পড়লে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু হয় ওই যুবকের।
মৃত মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ পশ্চিম গোন্দারদিয়া মহল্লার বাসিন্দা মৃত এসকেন হায়দারের ছেলে। দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি বড় ছিলেন। ইশতিয়াক ফরিদপুর আইন কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ফরিদপুর চিনি কলের মৌসুমী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
ওই অভিযানে অংশ নেওয়া ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) আহাদুজ্জামান ২১ জুন সকাল সোয়া ৬টার দিকে বাদী হয়ে ইশতিয়াককে আসামি করে মধুখালী থানায় একশ গ্রাম গাঁজা উদ্ধারের দাবি করে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়, গত ২০ জুন দিবাগত রাত ২টার দিকে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে (ইশতিয়াকের বাড়ির সামনে) যান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ইশতিয়াক পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করে দুইজন সাক্ষীর সামনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ইশতিয়াক তার কাছে গাঁজা আছে বলে স্বীকার করেন এবং নিজ হাতে প্যান্টের ডান পকেট থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় গাঁজা বের করে দেন।
তবে ওই ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ থেকে দেখা যায়, ঘটনাটি রাতে নয় দিনে ঘটেছে। ওই সময় ইশতিয়াক প্যান্ট নয়, লুঙ্গি পরিহিত ছিলেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, ইশতিয়াকের মাথায় আঘাত করে শরীর তল্লাশি করেন এক ডিবি সদস্য। একপর্যায়ে তল্লাশির স্থান থেকে কয়েক হাত দূরে বাঁ দিকে ‘এই যে এক টোপলা’, ‘এই যে’ বলে চিৎকার করে ওঠেন ওই ডিবি সদস্য।
এরপর ইশতিয়াকের কাছ থেকে মাদক উদ্ধারের দাবিতে পুলিশ মামলা করে। ওই মামলায় স্থানীয় মো. আলমগীর হোসেন ও বিনয় সাহাকে সাক্ষী মেনে বলা হয়, তাদের সামনে ডিবি পুলিশের কাছে ইশতিয়াক প্যান্টের পকেট থেকে গাঁজা বের করে দেন।
তবে ওই দুই সাক্ষীই পরবর্তীতে তদন্ত কমিটির সদস্যদের জানিয়েছে, ঘটনার সময় তারা কেউই ঘটনাস্থলে ছিলেন না। বরং ঘটনাস্থল থেকে অন্তত একশ মিটার দূরে মধুখালী বাজার এলাকায় তারা ছিলেন। পরে তাদের সঙ্গে মিথ্যাচার করে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে সই নেওয়া হয় বলে ওই দুই সাক্ষী অভিযোগ করেন।
ইশতিয়াকের মা খাদিজা আক্তার ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, ২০ জুন দিবাগত রাতে ৬৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ইশতিয়াককে ছেড়ে দেওয়ার জন্য তার আত্মীয় সোহেল মুন্সীর সঙ্গে ডিবি পুলিশের কথা হয়। পরে ডিবি জানায়, ‘এ ছেলে কলেজে পড়ে, ছাত্রলীগ করে। আজ তাকে ছাড়া হবে না, কাল সকালে এক লাখ টাকা নিয়ে ফরিদপুর আসেন।’
খাদিজা আক্তার আরও বলেন, সকালে তিনি এক লাখ টাকা নিয়ে ফরিদপুরে যান, কিন্তু জীবিত ছেলের বদলে তিনি ছেলের মরদেহ পান।
তদন্ত কমিটির কাছেও খাদিজা আক্তার এই একই বক্তব্য দেন।
ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ফাতেমা ইসলামকে প্রধান সদস্য করা হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন—অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. শামসুল আজম এবং জেলা স্পেশাল ব্রাঞ্চের ওসি মোশাররফ হোসেন।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দেখে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ ইতোমধ্যে প্রতিবেদনটি পুলিশের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী আরও বলেন, ওই দিন ওসির নির্দেশে ডিবি পুলিশের যেসব সদস্য অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন, তারা সকলেই কোনোভাবে এই অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত। এ ঘটনায় সবারই কমবেশি ভূমিকা রয়েছে।
তবে পুলিশ সুপার আলাদাভাবে মাদক উদ্ধার, প্যান্ট ও লুঙ্গি পরা, দিনে না রাতে অভিযান, পুলিশের মামলায় মানিত দুই সাক্ষীর ঘটনাস্থলে না থাকা, ইশতিয়াকের মুক্তির জন্য পরিবারের কাছে টাকা দাবি করাসহ বিভিন্ন অসঙ্গতির বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী বলেন, মামলা দায়ের করে বিভাগীয় তদন্ত করার পর ডিবি ওসিসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সব সদস্যদের মধ্যে এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে কার কতটুকু ভূমিকা ছিল, সে আলোকে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ওই সময় ফরিদপুরে ডিবি পুলিশের ওসি ছিলেন মো. আলমগীর হোসেন। অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যরা হলেন—উপপরিদর্শক মো. আহাদুজ্জামান ও মোতাহার আলী, সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর মো. হাজিকুল ইসলাম, কনস্টেবল আবু সুফিয়ান, রাকিব মোল্লা, মনিরুজ্জামান, মো. রাকিবুল ইসলাম, ফরহাদ হোসেন মিয়া ও চম্পা হালদার। গাড়ি চালক ছিলন মো. সবুজ মোল্লা।
এ ঘটনার পর ফরিদপুরের ওসিসহ ডিবি পুলিশের ১১ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে প্রত্যাহার করে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।
৫ দিন আগে
শরীয়তপুরে ‘হাতবোমা তৈরির সরঞ্জাম’সহ এক ব্যক্তি আটক
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় হাতবোমা তৈরির সরঞ্জাম, মাদক ও নগদ টাকা জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় ইনসান ঢালি নামে এক ব্যক্তি আটক হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ভোরে উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের মশুরা এলাকায় ওই ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
এ সময় তার ঘর থেকে ১০টি ইয়াবা, ১০ পুরিয়া গাঁজা, নগদ ২ হাজার ৫০ টাকা, ৪টি মোবাইল ফোন এবং ককটেল তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
জব্দ করা সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে: ১০০টির বেশি মার্বেল, ১০০টির বেশি কাঠিযুক্ত দিয়াশলাই, কয়েকটি কাঠিবিহীন দিয়াশলাইয়ের বারুদ, একটি কাঁচি ও একটি হাতুড়ি। প্রাথমিকভাবে এসব সরঞ্জাম ককটেল বা হাতবোমা তৈরিতে ব্যবহৃত করা হয় বলে ধারণা করছে পুলিশ।
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাহার মিয়া বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ (মঙ্গলবার) রাতে ভোজেশ্বর ইউনিয়নের মশুরা এলাকার ঢালি বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ইনসান ঢালির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ইয়াবা, গাঁজা, নগদ টাকা, মোবাইল ফোন এবং ককটেল (হাতবোমা) তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদক ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
৬ দিন আগে