খুলনা
২৭ বছর আত্মগোপনের পর এরশাদ শিকদারের সহযোগী গ্রেপ্তার
খুলনার কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া এরশাদ শিকদারের অন্যতম সহযোগী জয়নাল সরদারকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এ আসামি ২৭ বছর আত্মগোপনে ছিলেন।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এসআরবি-৬-এর অধিনায়ক নিস্তার আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গতকাল (শনিবার) রাত পৌনে ১১টার দিকে খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার জয়নাল সরদার বরিশাল জেলার গৌরনদী থানার বংকুরা গ্রামের বাসিন্দা।
অধিনায়ক নিস্তার জানান, গতকাল (শনিবার) রাতে খুলনার রূপসা থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত জয়নাল সরদারকে (৫৫) গ্রেপ্তার করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯৯৯ সালে খুলনার রূপসা থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলায় জয়নালের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
একই সঙ্গে মরদেহ গুমের অপরাধে পৃথকভাবে আরও পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। কিন্তু রায় ঘোষণার পর থেকে জয়নাল দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন।
পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য গ্রেপ্তার জয়নালকে খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।
১ ঘণ্টা আগে
নড়াইলে ‘মাদকসেবন নিয়ে বিবাদের জেরে’ কৃষককে হত্যা
নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় মাদকসেবনে বাধা দেওয়া নিয়ে সৃষ্ট বিবাদের জেরে মানসুর মোল্যা (৪৫) নামের এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নূর ইসলাম নামের আরও একজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে পেড়লী ইউনিয়নের কদমতলা ত্রি-মোহনার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মানসুর মোল্যা কদমতলা গ্রামের হাবি মোল্যার ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হাসিব মোল্যা (২০) একই গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানান, মাদকসেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে গত শুক্রবার পেড়লী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কাসেদ মোল্যার সঙ্গে হাসিব মোল্যার বাগ্বিতণ্ডা হয়। হাসিব একপর্যায়ে কাসেদকে কিল-ঘুষি মারেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এরপর গতকাল (শনিবার) রাত ১০টার দিকে হাসিব কদমতলা ত্রি-মোহনার মোড়ের একটি দোকানে যান। এ সময় কাসেদের চাচাতো ভাই মানসুর মোল্যা ও নূর ইসলাম তার কাছে গিয়ে কাসেদের গায়ে হাত তোলার কারণ জানতে চান। একপর্যায়ে হাসিব ধারালো অস্ত্র বের করে তাদের দুজনকে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করেন।
গুরুতর আহত মানসুরকে চিকিৎসার জন্য খুলনায় নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। অন্যদিকে আহত নূর ইসলামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
কাসেদ মোল্যা বলেন, হাসিব দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। তাকে মাদকসেবন করতে নিষেধ করায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে লাঞ্ছিত করেন। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মানসুর ও নূর ইসলামের ওপর হামলা চালান।
কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে। প্রাথমিকভাবে পূর্ববিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানা গেছে।
নিহত মানসুরের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৬ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটে শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে পানবরজ থেকে এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে পুলিশ কচুড়িয়া গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত মুসলিমা খাতুন (৭) উপজেলার কচুড়িয়া গ্রামের ভ্যানচালক ইসলাম শেখের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার ছাত্রী ছিল বলে জানা গেছে।
মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহদাৎ হোসেন জানান, উপজেলার কচুড়িয়া গ্রামে পানবরাজের পাশে বস্তায় শিশুর মরদেহ দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দি মুসলিমার মরদেহ উদ্ধার করে। শিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, হত্যার কারণ উদঘাটন ও হত্যার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে পুলিশ কাজ করছে এবং এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
৬ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় নছিমনচালকের মৃত্যু
কুষ্টিয়ার খোকসায় ট্রাকের ধাক্কায় স্যালো ইঞ্জিনচালিত নছিমনের চালক নিহত হয়েছেন।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে খোকসা উপজেলায় রাজবাড়ী সড়কের বিলজানি বাজারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নছিমনচালক মুন্না (৩০) আলমডাঙ্গার মুন্সীগঞ্জ পশুরহাটা এলাকার মোতালেব হোসেনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে নছিমনটি রাজবাড়ীর পাংশার দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাককে সাইড দিতে গিয়ে নছিমনটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকের সামনে চলে যায় এবং দুর্ঘটনা ঘটে। এতে দুর্ঘটনাস্থলেই নছিমনচালক নিহত হন।
পরে স্থানীয়রা মরদেহ উদ্ধার ও ট্রাকটি জব্দ করেন। তবে ট্রাকচালক পালিয়ে যান। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও থানা পুলিশ দুর্ঘটনাস্থলে আসে।
প্রত্যক্ষদর্শী আরেক নছিমনচালক রাজন জানান, তারা কয়েকটি গাড়ি নিয়ে এক সঙ্গে মহাজনের পাটকাঠি আনতে পাংশা উপজেলার মাছপাড়ায় যাচ্ছিলেন। এ সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
খোকসা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুল জানান, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মরদেহটি উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন। ট্রাকটিও পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
উল্লেখ্য, দুই দিনের ব্যবধানে একই সড়কে অবৈধ নছিমনচালকের মৃত্যুর দ্বিতীয় ঘটনা এটি।
৭ ঘণ্টা আগে
ট্রেনে উঠতে গিয়ে পিছলে পড়ে দুই পা বিচ্ছিন্ন, নারীর মৃত্যু
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ট্রেনে উঠতে গিয়ে পিছলে পড়ে দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে রাবেয়া খাতুন (৩৭) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে দুর্ঘটনাটি ঘটে। এরপর ওই নারীকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় যশোরে নেওয়ার পথে বেলা ১১টার দিকে তিনি মারা যান।
নিহত রাবেয়া খাতুন রাজধানী ঢাকার খিলক্ষেত জোয়ার সাহারা এলাকার ইকবাল হোসেনের মেয়ে। তিনি কালীগঞ্জে খালার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।
স্থানীয় ও রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, সকালের দিকে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী ‘কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি মোবারকগঞ্জ স্টেশনে এসে পৌঁছায়। ট্রেন ছাড়ার মুহূর্তে রাবেয়া দৌড়ে উঠতে গিয়ে ট্রেনের পাপোশে পা পিছলে নিচে পড়ে যান। এতে ট্রেনের চাকার নিচে পড়ে তার দুটি পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং একটি হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান নয়ন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত এসে রাবেয়াকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করেন। এরপর যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে বেলা ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
১ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১
কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে হালিম সর্দার (৬০) নামের এক ব্যক্তি নিহত এবং অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের রাজাপুর-খয়েরপুর এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘরেও ভাঙচুর চালানো হয়।
নিহত হালিম সর্দার ওই এলাকার মৃত কলম সর্দারের ছেলে। অন্যদিকে আটক বকুল সর্দার (৩০) একই এলাকার আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
নিহতের পরিবারের দাবি, সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে চাপাইগাছি বিলের দিকে যাচ্ছিলেন হালিম সর্দার। এ সময় মান্নান মেম্বারের সমর্থক নজরুলের বাড়ির ছাদ থেকে ফালা (দেশীয় অস্ত্র) ছুড়ে মারা হয়। ফালাটি হালিমের গলায় বিদ্ধ হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মসজিদের ব্যাটারি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলামপুর ইউনিয়নের রাজাপুর-খয়েরপুর এলাকায় মান্নান মেম্বার-বকুল গ্রুপের সঙ্গে ইউসুফ মেম্বার-মেহেদী গ্রুপের বিরোধ ছিল। এ নিয়ে কয়েকদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে দফায়-দফায় হামলা ও সংঘর্ষ হয়।
এসব ঘটনার জেরে আজ (শনিবার) ভোরে চাপাইগাছি বিলের পাশে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার জন্য জড়ো হলে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ওই সময় হালিম সর্দার বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পথে ফালার আঘাতে নিহত হন।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
১ দিন আগে
আইফোন চুরির অপবাদে যুবককে মারধর, পা ভাঙার অভিযোগ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মোবাইল ফোন চুরির অপবাদে রুহুল হোসেন (২০) নামের এক যুবককে আটকে রেখে মারধর ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে। এ সময় তার একটি পা ভেঙে যায়। পরে পুলিশ তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের জয়রামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত রুহুল হোসেন পাশের ভেড়ামারা উপজেলার স্বরূপের ঘোপ এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় রুহুল হোসেন জয়রামপুর বাজারে গেলে সেখানে বসে থাকা এক ব্যক্তির আইফোন চুরির অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন তাকে আটক করে একটি দোকানের পিলারের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন। একপর্যায়ে তার মাথার চুলও কেটে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে দৌলতপুর থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠান।
দৌলতপুর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) নজরুল বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে রুহুলকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। চিকিৎসক জানান, তার একটি পা ভেঙে গেছে। এছাড়া হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত রয়েছে। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় পরিবারের লোকজন তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।
রুহুল আহত অবস্থায় থাকায় ওই সময় পুলিশ মামলার প্রক্রিয়ায় যায়নি বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি বর্তমানে দৌলতপুরে নেই, কুষ্টিয়ায় এসেছি। এ কারণে ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না।
এদিকে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগের সত্যতা এবং যুবককে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
১ দিন আগে
খুলনা নগরীতে অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার দুই
খুলনা নগরীতে অস্ত্র ও গুলিসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে তাদের দুইজনকে খুলনা সদর ও হরিণটানা থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুই আসামির হলেন লবণচরা থানার হরিণটানা ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ওলিয়ারের ছেলে আবিদ হাসান রানা এবং দক্ষিণ টুটপাড়া সার্কুলার রোডের সাব্বিরের বাড়ির ভাড়াটিয়া সৈয়দ চৌধুরীর ছেলে সালাউদ্দিন আহমেদ।
গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে একটি রিভলবর, একটি রিভলবারের কার্তুজ, ১৬টি পিস্তলের কার্তুজ এবং ২৪টি শর্টগানের তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জামাল উদ্দিন বলেন, গতকাল রাতে সদর থানা এলাকায় বিশেষ ডিউটি করছিলাম। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে টুটপাড়া সার্কুলার রোড হতে সালাউদ্দিনকে প্রথমে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যমতে লবণচরা থানার হরিণটানা হতে রানার শয়ন কক্ষের বিছানার নিচ হতে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা শীর্ষ সন্ত্রাসী রফিক বাহিনীর সহযোগী বলে জানায়। এ ছাড়াও তারা খুলনা মহানগরীতে তাদের সহযোগীদের বিভিন্ন সময়ে অস্ত্র প্রদান করে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে সহায়তা করত বলে তারা জানায়।
এ ঘটনায় লবণচরা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
২ দিন আগে
বঙ্গোপসাগরে ৫ দিন ধরে ভাসতে থাকা ৮ জেলেকে জীবিত উদ্ধার
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পাঁচ দিন ধরে ভাসতে থাকা আট জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। এর আগে, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেলে কোস্ট গার্ড সদস্যরা অভিযান চালিয়ে গভীর সমুদ্র থেকে তাদের উদ্ধার করেন।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজনের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর আটজন জেলে একটি ট্রলার নিয়ে সুন্দরবনের কোকিলমনি থেকে ১১ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণে গভীর সমুদ্রে মাছ আহরণ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে ট্রলারটি সমুদ্রে ভাসতে থাকে।
পরবর্তীতে মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় এলে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে ওই ট্রলারের এক জেলে ট্রলার মালিককে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানান। এরপর ট্রলার মালিক কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের সহায়তা চান।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, তথ্য পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে কোস্ট গার্ড কোকিলমনি স্টেশন উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সে সময় গভীর সমুদ্রে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা ট্রলারসহ আট জেলেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হন কোস্ট গার্ড সদস্যরা।
পরে উদ্ধার জেলেদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় খাবার দেওয়া হয়। ট্রলারসহ জেলেদের মালিকপক্ষের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
২ দিন আগে
শীর্ষ সন্ত্রাসী চিংড়ি পলাশের স্ত্রী আটক, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার
খুলনা নগরীতে শীর্ষ সন্ত্রাসী পলাশ তালুকদার ওরফে চিংড়ি পলাশের স্ত্রী টিকলি মাক্কি রাানীকে (৩০) আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের বাড়ি থেকে তিনটি বিদেশি পিস্তল, ৯ রাউন্ড গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার গোবরচাকা এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া।
ডিবি জানায়, পলাশের বাড়িতে কয়েকজন সন্ত্রাসী অবস্থান করছেন—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে পুলিশ বাড়িটি ঘিরে ফেলে। পরে সেখান থেকে পলাশের স্ত্রীকে আটক করা হয় এবং তিনটি বিদেশি পিস্তল, ৯ রাউন্ড গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।
আটক টিকলি মাক্কি রাানী জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তার স্বামী পলাশ গ্রেপ্তার হওয়ার পর দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি ঢাকায় গিয়ে একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন। স্বামীর সংসারে তিনি আর ফিরতে চাননি। কিন্তু তার স্বামীর জামিন হয়েছে—এমন মিথ্যা তথ্য দিয়ে তার ভাসুর তাকে আবার খুলনায় নিয়ে আসেন। তিনি এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত নন বলেও দাবি করেছেন।
ডিবির কর্মকর্তা আহাদুজ্জামান বলেন, পলাশের বাড়ি থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হবে। তবে সন্ত্রাসী পলাশের বড় ভাইয়ের কাছে এসব অস্ত্র ছিল ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর যশোর থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী পলাশকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৬। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন। পলাশ মূলত খুলনা ও আশপাশের জেলার চিংড়ির ঘেরের মালিকদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করতেন। তার বিরুদ্ধে মোট ১২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সোনাডাঙ্গা থানায় আটটি হত্যা মামলা রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজি, মারামারি ও বিস্ফোরক আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।
৩ দিন আগে