খুলনা
নড়াইলে ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার
নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর বিল থেকে হুসাইন শেখ (১৩) নামে স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন এক সাংবাদিক।
শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে কালিয়া উপজেলার নওয়াগ্রাম দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিক্ষার্থী স্থানীয় নওয়াগ্রাম দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা শাবু শেখের ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল (শনিবার) বিকেলে হুসাইন শেখ তার দুই বন্ধুর সঙ্গে বাড়ির পাশের একটি বিলে ঘুড়ি ওড়াতে যায়। একপর্যায়ে ঘুড়ির সুতা কেটে গেলে সেটির পেছনে একাই দৌড়ে যায়। দীর্ঘ সময় পার হলেও সে ফিরে না আসায় তার সঙ্গে থাকা দুই বন্ধু তাকে খুঁজতে শুরু করে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বিলের একটি নির্জন স্থানে মাটির মধ্যে মাথা দেবে থাকা অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পায় তারা। পরে কাছে গিয়ে পা ধরে টেনে তুললে সেটি তাদের নিখোঁজ বন্ধুর মরদেহ বলে শনাক্ত হয়।
এদিকে, আজ (রবিবার) সকালে নিহতের বাড়িতে ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে নিহতের স্বজনদের বাধার সম্মুখীন হন একজন সাংবাদিক। এছাড়া নিউজের জন্য নেওয়া ভিডিও ডিলিট করতে বাধ্য করা হয় তাকে।
স্থানীয়দের দাবি, নিহতের শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। তবে তার নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় বিভিন্ন ধরনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনও কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে নড়াইলের সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) রবিন হালদার বলেন, নিহতের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১২ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়ায় কর অফিসের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে গিয়ে আটক ৪
কুষ্টিয়া কর অঞ্চল কার্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষায় চাকরিপ্রার্থীর পরিবর্তে প্রক্সি দিতে গিয়ে চারজন আটক হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে অফিস সহায়ক পদে মৌখিক পরীক্ষা চলাকালে তাদের আটক করা হয়।
আঞ্চলিক কর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া চারজনের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে নিয়োগ বোর্ডের সদস্যরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে কাগজপত্র যাচাই করে দেখা যায়, প্রবেশপত্রে থাকা ছবি জালিয়াতির মাধ্যমে তারা প্রকৃত চাকরিপ্রার্থীর পরিবর্তে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তারা প্রক্সি পরীক্ষা দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। এরপর মধ্যরাতে আটক চারজনকে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে চাকরিপ্রার্থীর পরিবর্তে অন্য ব্যক্তিকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করিয়ে দেওয়ার জন্য একটি সংঘবদ্ধ চক্র কাজ করছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন মাতুব্বর বলেন, নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।
৪ দিন আগে
কালীগঞ্জের শিশু তাবাচ্ছুম ধর্ষণ ও হত্যা মামলা: আসামির মৃত্যুদণ্ড
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে চার বছর বয়সী শিশু তাবাচ্ছুমকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার মামলায় একমাত্র আসামি আবু তাহেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২২ জুন) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে জেলা ও দায়রা জজ ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সালেহুজ্জামান জনাকীর্ণ আদালতে এই আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে আদালত আসামিকে ফাঁসির আদেশের পাশাপাশি ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার এই টাকা আসামির সম্পত্তি বিক্রি করে আদায় করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, হত্যার পর মরদেহ গুম করার অপরাধে আসামিকে আরও ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এর ফলে ঘটনা সংঘটিত হওয়ার পর থেকে রায় ঘোষণা পর্যন্ত ১১৬ দিনের (৩ মাস ২৬ দিন) মধ্যে এই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন ও রায় ঘোষণা হলো, যা ঝিনাইদহের আদালতে এক অনন্য নজির।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবু তাহের কালীগঞ্জ উপজেলার ফারাসপুর গ্রামের শফি উদ্দীনের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের শিকার ৪ বছর বয়সী শিশু তাবাচ্ছুম মূলত মহেশপুর উপজেলার ভৈরবা এলাকার নজরুল ইসলামের মেয়ে ছিল। তবে শিশুটির পরিবার দীর্ঘদিন ধরে কালীগঞ্জের বারবাজার এলাকার বাদেডিহি গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। তাবাচ্ছুমের বাবা নজরুল ইসলাম স্থানীয় একটি দর্জির দোকানের কর্মচারী এবং মা হালিমা খাতুন বেসরকারি সংস্থা ‘ওয়েব ফাউন্ডেশন’-এ কর্মরত।
আদালত ও মামলায় রায় সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি কালীগঞ্জ উপজেলার বাদেডিহি গ্রামে চিপস ও জুস কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশু তাবাচ্ছুমকে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী ভাড়াটিয়া আবু তাহের। একপর্যায়ে শিশুটি চিৎকার করতে গেলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে পাশের একটি বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখা হয়।
ঘটনার পরদিনই পুলিশ আসামি আবু তাহেরকে কুষ্টিয়া শহরে তার ভাইয়ের ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে। তদন্ত শেষে গত ২৬ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তাবাচ্ছুম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক জেল্লাল হোসেন।
গত ১৬ জুন মামলার চার্জ গঠন, ১৭ জুন সাক্ষ্য গ্রহণ এবং ২১ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আজ (সোমবার) রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আকিদুল ইসলাম ও আসামিপক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত (স্টেট ডিফেন্স) অ্যাডভোকেট আশরাফুল ইসলাম মামলাটি পরিচালনা করেন। মোট ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে আদালত এই সর্বোচ্চ সাজার রায় প্রদান করেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অ্যাডভোকেট আকিদুল ইসলাম জানান, ‘মাত্র ১১৬ দিনে এই রায় ঘোষণার মাধ্যমে ঝিনাইদহের বিচারব্যবস্থায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো এবং সাধারণ মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় হলো।’
অন্যদিকে, শিশু তাবাচ্ছুমের বাবা ও মা রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আসামি আবু তাহেরের ফাঁসি দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান।
৬ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় পাথরবোঝাই ট্রাক খাদে উল্টে চালক-সহকারী নিহত
কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় পাথরবোঝাই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে উল্টে পড়ে চালক ও তার সহকারী নিহত হয়েছেন।
রবিবার (২১ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কুষ্টিয়া বাইপাস সড়কের ত্রিমোহনী ও বটতৈল এলাকার মাঝামাঝি স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— ট্রাকচালক আনিচুর রহমান আনিস এবং তার সহকারী রতন। আনিচুর রহমানের বাড়ি ফরিদপুর সদর উপজেলায়।
কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ থেকে পাথরবোঝাই করে ট্রাকটি ফরিদপুরে যাচ্ছিল। সকাল ৮টার দিকে ট্রাকটি কুষ্টিয়া বাইপাস সড়কে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার পর ট্রাকটিতে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে ট্রাকচালক আনিচুর রহমান আনিসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। চালকের সহকারী রতন পাথরের নিচে চাপা পড়ায় তাকে উদ্ধারে কিছুটা সময় লাগে। পরবর্তীতে তার মরদেহও উদ্ধার করা হয়।
কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা আরশেদ আলী বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যান্ত্রিক ত্রুটি অথবা চালক ঘুমিয়ে পড়ার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, এ ঘটনায় উদ্ধারকাজ সম্পন্ন করে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
৭ দিন আগে
যশোরে ৩১টি স্বর্ণের বারসহ আটক ২
যশোরে ৭ কোটি ১৩ লাখ ৪৫ হাজার ৩৯৫ টাকা মূল্যের ৩১টি স্বর্ণের বারসহ দুই পাচারকারীকে আটক করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৪৯বিজিবি) সদস্যরা। যার মোট ওজন ৩ কেজি ৬৪১ গ্রাম। এ সময় স্বর্ণ পাচারকারীদের ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার, ৩টি মোবাইল ফোন ও নগদ ৪ হাজার ৮১৫ টাকা জব্দ করেছে বিজিবি।
শুক্রবার (১৯ জুন) দিবাগত রাত ২টার দিকে যশোর-নড়াইল মহাসড়কের যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তরের ১ নম্বর গেটের সামনের পাকা রাস্তার উপরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করেন যশোর ব্যাটালিয়ন ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— নড়াইল জেলার নড়াগাতি থানার খাসিআল গ্রামের খন্দকার মাহাবুবুল হক (৪৫) এবং যশোর কোতোয়ালি থানার বালিয়া ভেকুটিয়া গ্রামের মো. আনিস (৩৬)।
আজ (শনিবার) দুপুরে যশোরের ঝুমঝুমপুর বিজিবি ক্যাম্পে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে যশোর ৪৯ বিজিবির ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মো.সাইফুল আলম খান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল যশোর-নড়াইল মহাসড়কের ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের সামনে অবস্থান নেয়। এ সময় সন্দেহজনক একটি প্রাইভেট কার থামিয়ে তল্লাশি চালানো হলে গাড়ি থেকে ৩১টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা স্বর্ণের ওজন ৩ কেজি ৬৪১ গ্রাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) পরীক্ষার পর এগুলো খাঁটি স্বর্ণ হিসেবে নিশ্চিত করেছে। যার বাজার মূল্য ৭ কোটি ১৩ লাখ ৪৫ হাজার ৩৯৫ টাকা।
এছাড়া, পাচার কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কারটির মূল্য ৫৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা, তিনটি মোবাইল ফোনের মূল্য ৩৬ হাজার টাকা এবং নগদ ৪ হাজার ৮১৫ টাকা জব্দ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে জব্দ করা মালামালের মোট মূল্য ৭ কোটি ৬৮ লাখ ৩৬ হাজার ২১০ টাকা।
বিজিবি অধিনায়ক জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, তারা ঢাকার ধোলাইপাড় এলাকার চোরাকারবারিদের কাছ থেকে স্বর্ণগুলো সংগ্রহ করেছিলেন। পরে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে পাচারের পরিকল্পনা ছিল তাদের।
তিনি আরও জানান, সীমান্তে মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালান বন্ধে বিজিবি মহাপরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটক দুই ব্যক্তিকে এ ঘটনায় মামলা দিয়ে যশোর কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও জব্দকৃত স্বর্ণ ও অন্যান্য মালামাল যশোর ট্রেজারিতে জমা করা হবে।
৮ দিন আগে
নড়াইলে বিয়ে বাড়ির গেটে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল ব্যক্তির
নড়াইলে বিয়ে বাড়ির গেটে নতুন বরকে মিষ্টিমুখ করানোর সময় আলোকসজ্জার তারের ওপর পড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নকুল মল্লিক (৫২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের মুসুড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নকুল মল্লিক ওই গ্রামের মৃত সতীশ চন্দ্র মল্লিকের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্বজনরা জানায়, গতকাল (শুক্রবার) নকুল মল্লিকের ভাইয়ের মেয়ের বিয়ে ছিল। বিয়ের অনুষ্ঠানে তাদের বাড়িতে সাজসজ্জা, আলোকসজ্জার আয়োজন করা হয়েছিল। রাত ৮টার দিকে বরযাত্রী এসে পৌঁছালে গেটে নতুন বরকে মিষ্টিমুখ করানোর জন্য যান নকুল মল্লিক। এ সময় ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে তিনি আলোকসজ্জায় ব্যবহৃত বিদ্যুতের তারের ওপর পড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
৮ দিন আগে
সুন্দরবনে কুমিরের আক্রমণে নারী জেলে নিহত
বাগেরহাটের সুন্দরবনে শেলা নদীতে কুমিরের আক্রমণে সেলিনা বেগম (৫২) নামে এক নারী জেলে নিহত হয়েছেন।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ওই নারী জেলার মোংলা উপজেলাধীন সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের জয়মনি লঞ্চঘাট এলাকায় জাল টেনে মাছ ধরার সময় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সেলিনা বেগম (৫২) বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের জয়মনি গ্রামের আব্দুল শেখের স্ত্রী ছিলেন।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, ১ জুন থেকে আগামী ৩১ আগাস্ট পর্যন্ত ৩ মাস সুন্দরবনে জেলে,বাওয়লী, মৌয়াল ও পর্যটকসহ সব ধরনের প্রবেশ নিষিদ্ধ। কিন্তু ওই এলাকার তিনজন নারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লোকালয়-সংলগ্ন শেলা নদীর লঞ্চঘাট এলাকায় জাল টেনে মাছ ধরছিলেন। এ সময় হঠাৎ একটি কুমির সেলিনা বেগম নামে ওই নারীকে টেনে নদীর মধ্যে নিয়ে যায়। পরে তার সঙ্গীরা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।
জয়মনি এলাকার স্থানীয় এক সূত্র জানায়, সুন্দরবন-সংলগ্ন লোকালয়ের অসহায় দরিদ্র বেশকিছু নারী বিভিন্ন সময়ে সুন্দরবনের নদ-নদীতে জাল টেনে মাছ এবং মাছের রেনু আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। কুমিরের আক্রমণে নিহত ওই নারী বন বিভাগের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও জীবিকার তাগিদে শেলা নদীতে জাল টেনে মাছ আহরণ করছিলেন। এ সময় কুমিরের আক্রমণে তার প্রাণহানি ঘটে। বন-সংলগ্ন লোকালয়ের অসহায় নারী-পুরুষদের কর্মসংস্থান এবং আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা দেওয়ার দাবি জানান স্থানীয়রা।
ডিএফও মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, বৈধ পাশ (অনুমতিপত্র) নিয়ে জেলে, বাওয়ালী, মৌয়ালসহ পেশাজীবীরা সুন্দরবনে প্রবেশ করে বাঘ, কুমিরসহ বন্যপ্রাণীর আক্রমণে নিহত অথবা আহত হলে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। ওই নারী নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন অবৈধভাবে সুন্দরবনের নদীতে মাছ আহরণ করতে গিয়ে কুমিরের আক্রমণে নিহত হয়েছেন। এক্ষেত্রে তাকে কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা দেওয়া সম্ভব নয়।
১০ দিন আগে
ভারতে তিন বছর কারাভোগ শেষে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলেন ৬ নারী
ভারতে তিন বছর কারাভোগ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশি ৬ নারী।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা ১১টার দিকে ভারতীয় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
ফেরত আসারা হলেন— নুসরাত মন্ডল, ফাতেমা জিন্নাত, মিম আক্তার, সাদিয়া আক্তার, রিপা খাতুন ও আরোহী মন্ডল। তারা যশোর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকা, মাদারীপুর, টাঙ্গাইল ও চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা।
ফেরত আসা ফাতেমা জিন্নাত বলেন, ভালো কাজের আশায় দালালের মাধ্যমে তারা ২০২৩ সালে সীমান্তপথ দিয়ে অবৈধভাবে ভারতের হায়দারাবাদ গিয়েছিলেন। সেখানে বাসা-বাড়িতে এবং বিউটি পার্লারে কাজ করার সময় সেদেশের ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হন তারা। পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে পাঠায়। অনুপ্রবেশের অভিযোগে আদালত তাদের তিন বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠায়। কারাভোগ শেষে ভারতের একটি মানবাধিকার সংস্থা দায়িত্ব নিয়ে তাদের শেল্টার হোমে রাখে। পরে উভয় দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা আজ (বুধবার) বেলা ১১টার দিকে দেশে ফেরেন।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মুর্তজ আলী জানান, ভারত ফেরত ছয় নারীকে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের গ্রহণ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।
জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের জ্যেষ্ঠ প্রোগ্রাম কর্মকর্তা মুহিত হোসেন বলেন, ফেরত আসাদের বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে গ্রহণ করে তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
১১ দিন আগে
নড়াইলে টিকটকে আসক্তির জেরে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার
নড়াইলের লোহাগড়ায় সুমনা ফেরদৌসী (৩৮) নামের এক গৃহবধূকে হত্যার পর আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগে স্বামী লিমন মল্লিককে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিমন তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
সোমবার (১৫ জুন) রাতে উপজেলার দিঘলিয়া এলাকা থেকে অভিযুক্ত স্বামী লিমনকে আটক করা হয়।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) মধ্যরাতে লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সুমনা ফেরদৌসী লোহাগড়া উপজেলার চর দিঘলিয়া গ্রামের ইদ্রিস মল্লিকের ছেলে লিমন মল্লিকের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন। সুমনা ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করার সুবাদে লিমন ও সুমনার প্রথমে পরিচয় ও পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০২১ সালে ঢাকাতেই লিমনের দ্বিতীয় এবং সুমনার চতুর্থ বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর সুমনাকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি চলে যান লিমন। প্রথম স্ত্রী ও সন্তান থাকা সত্ত্বেও সুমনাকে বাড়িতে নিয়ে আসায় পরিবারে তীব্র কলহ শুরু হয়। এর জেরে লিমনের প্রথম স্ত্রী তার একমাত্র মেয়েকে নিয়ে রংপুরে বাপের বাড়ি চলে যান। এরপর লিমন চায়ের দোকান চালানোর পাশাপাশি কাঠ কাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করে সংসার চালাচ্ছিলেন।
জিজ্ঞাসাবাদে লিমন জানান, তার অনুপস্থিতিতে স্ত্রী সুমনা টিকটকে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও পোস্ট করতেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপরিচিত পুরুষদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও আদান-প্রদান করতেন। এই বিষয়গুলো নিয়ে তাদের মধ্যে প্রতিনিয়ত ঝগড়া হতো। সুমনা ভবিষ্যতে আর এমন করবেন না বলে ওয়াদাও করেছিলেন।
গতকাল (সোমবার) সকাল ৮টার দিকে আবারও টিকটকে কুরুচিপূর্ণ ভিডিও পোস্ট এবং পরপুরুষের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি আদান-প্রদানের বিষয় নিয়ে লিমন ও সুমনার মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে লিমনের মারধরে সুমনা রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে যান। এরপর লিমন গলা টিপে শ্বাসরোধ করে সুমনার মৃত্যু নিশ্চিত করেন এবং ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখেন।
হত্যাকাণ্ডের পর সকাল ১০টার দিকে লিমন স্বাভাবিকভাবে প্রতিদিনের মতো কাজে বেরিয়ে যান। সারা দিন কাজ শেষে বিকেল ৫টার দিকে বাড়ি ফিরে নিজেই ঘরের দরজা খুলে চিৎকার-চেঁচামেচি ও কান্নাকাটি শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে প্রাথমিক সুরতহাল দেখেই পুলিশের সন্দেহ হয় যে এটি আত্মহত্যা নয়, হত্যাকাণ্ড। পরবর্তীতে রাতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লিমনকে থানায় নিয়ে আসা হয়।
লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় জানান, ‘আটক লিমন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার স্ত্রী সুমনাকে হত্যার দায় স্বীকার করে ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন। মূলত হত্যাকাণ্ডটি আড়াল করতেই মরদেহ ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছিল। ভুক্তভোগী নারীর পরিবারকে খবর পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
১২ দিন আগে
চার দিন শূন্যরেখায় অবস্থানের পর ১২ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্তে পুশইনের শিকার নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জনকে চার দিন পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে নিজেদের হেফাজতে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
সোমবার (১৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে প্রাগপুর সীমান্তের ১৪৮/৩-এস পিলার-সংলগ্ন এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের পর তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি সূত্র জানায়, পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষে কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির উপঅধিনায়ক নুরুল হুদার নেতৃত্বে ৬ থেকে ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। অপরদিকে, বিএসএফের রানীনগর কোম্পানি কমান্ডার এসি সুনীল কুমার যাদবের নেতৃত্বে সমসংখ্যক সদস্যের প্রতিনিধি দল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বিজিবি জানায়, গত শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের শনাক্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বিজিবি। বিষয়টি নিয়ে সেদিন বিকেলে পতাকা বৈঠকের সিদ্ধান্ত হলেও বিএসএফের অসহযোগিতার কারণে তা অনুষ্ঠিত হয়নি।
পরদিন শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিলগাতুয়া সীমান্তের ১৫০/৩-এস পিলার-সংলগ্ন এলাকায় দুই বাহিনীর মধ্যে আরেকটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে ওই বৈঠকেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জনকে সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করতে হয়।
বৈঠকে বিএসএফ দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে পুশইনের অভিযোগ অস্বীকার করে। তারা শূন্যরেখায় অবস্থানরত ব্যক্তিদের নিজেদের হেফাজতে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে বিজিবি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবাদ জানালে বিএসএফ বিষয়টি তদন্ত করে সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য সময় চায়।
পুশইনের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে উজির আলী (৫০), তার স্ত্রী জয়নুর বেগম (৩৫), ছেলে শিহাদ (১৭), ইনজামুল (৮) ও আড়াই বছরের শিশু সামাদসহ কয়েকজনের পরিচয় জানা গেছে। এছাড়া সেখানে রফিকুল গাজীর পরিবারের তিন সদস্য এবং আফরোজা খাতুনের পরিবারের চার সদস্য ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিচে অবস্থান, মশার উপদ্রব, প্রায় দুই সপ্তাহ গোসলের সুযোগ না পাওয়া এবং তীব্র গরমে পাটখেতে মানবেতর জীবনযাপনের কারণে ১২ জনই অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানা গেছে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, ‘বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ১২ জনকে বিএসএফ নিজেদের হেফাজতে ফিরিয়ে নিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা নেওয়া হবে।’
১৩ দিন আগে