রাজশাহী
রাজশাহীতে আম পাড়া নিয়ে বিরোধে নিহত ১
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় আম পাড়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে আব্দুর রাজ্জাক (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার মৌগাছি ইউনিয়নের হরিহরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুর রাজ্জাক ওই গ্রামের ভূগোর মণ্ডলের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, আম পাড়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ওই গ্রামের রাসেল নামের এক যুবক আব্দুর রাজ্জাকের আমবাগান থেকে আম পেড়ে বাজারে বিক্রি করেন। গতকাল (শনিবার) এ বিষয়ে রাসেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় একই গ্রামের মুকবুল হোসেন (৫২), তার ছেলে শাহিন আলমসহ (৩০) কয়েকজন পূর্বশত্রুতার জেরে আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তারা আব্দুর রাজ্জাককে কিল-ঘুষি ও ইট দিয়ে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুর রাজ্জাককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে কাজ করছে।
১২ ঘণ্টা আগে
নওগাঁ সীমান্তে পুশইনে ব্যর্থ হয়ে ৯ জনকে ভারতে 'ফিরিয়ে নিয়েছে' বিএসএফ
নওগাঁর সাপাহার উপজেলা আদাতলা সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ মোট ৯ জনকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশইন করতে ব্যর্থ হয়ে গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে তাদের ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে নওগাঁ-১৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের (বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল (বুধবার) ভোর ৪টার দিকে নওগাঁর সাপাহার উপজেলার আদাতলা সীমান্ত এলাকার সীমান্ত পিলার ২৪৪/এমপি দিয়ে ২৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের এলেনপুর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা ৯ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশইন করে। এদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, তিনজন নারী ও তিনটি শিশু ছিল। সংবাদ পাওয়ার পর আদাতলা সীমান্তে বিজিবির টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। তারপর ওই ৯ ব্যক্তি ভারত ও বাংলাদেশের দুই দেশের সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই এলাকায় বিজিবির অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয় এবং স্থানীয় জনগণের সহায়তায় সার্বক্ষণিক নজরদারি জোরদার করা হয়।
বিজিবির পক্ষ থেকে গতকাল দুপুর ১২টার দিকে জানানো হয়, বিকেলের দিকে বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে শূন্যরেখায় অবস্থান করা ৯ জনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
পরে বিকেলে বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ৯ জনকে প্রশ্নের চেষ্টার প্রতিবাদে এবং পুশইন ঠেকাতে সন্ধ্যার দিকে বিজিবি-বিএসএফ ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা হবে। কিন্তু ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পক্ষ থেকে পতাকা বৈঠকের কোনো আগ্রহ দেখানো হয়নি বলে জানানো হয়েছে। ফলে কোম্পানি কমান্ডার বা ব্যাটেলিয়ন অধিনায়ক পর্যায়ে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে কোনো পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি।
ভারতীয় অংশে বিএসএফ এবং বাংলাদেশের অংশে বিজিবি কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে শূন্যরেখায় ওই ৯ জন তপ্ত রোদের মধ্যে দিনভর মানবেতর জীবনযাপন করেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত বিজিবি এবং বিএসএফের মধ্যে কোনো পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত না হওয়ায় শূন্যরেখায় অবস্থান করা ৯ জন চরম দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে পড়ে।
নওগাঁ সাপাহার উপজেলা আদাতলা সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা জানান, সন্ধ্যার পর বিএসএফ তাদের তিনটি সার্চলাইট বন্ধ করে দেয়। ফলে সীমান্ত এলাকায় ভুতুড়ে পরিবেশ বিরাজ করে।
তারা জানান, গতকাল রাত ১০টার পরে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বিএসএফ তাদের সীমান্তে সার্চলাইটগুলো পুনরায় জ্বালিয়ে দেওয়ার পর সেখানে ওই ৯ জনকে আর শূন্যরেখায় দেখা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সময়ের মধ্যে রাতের আঁধারে তাদের ভারতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম জানান, ভারতীয় অংশে শূন্যরেখায় অবস্থান করা ৯জন আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে সেখানে আর দেখা যাচ্ছে না। এতে ধারণা করা হচ্ছে, বিজিবির কঠোর অবস্থান ও প্রতিরোধের মুখে বিএসএফ গতকাল দিবাগত রাতে তাদের ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, পুশইন এবং যেকোনো অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ করতে বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে।
গত ৫ জুন সাপাহার উপজেলার কলমুডাঙ্গা সীমান্ত, ৮ জুন পোরশা উপজেলার নিতপুর সীমান্ত এবং সর্বশেষ ২৪ জুন সাপাহার উপজেলা আদাতলা সীমান্ত দিয়ে অর্ধশতাধিক নারী, পুরুষ ও শিশুকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। কিন্তু বিজিবির কঠোর অবস্থান ও প্রতিরোধের মুখে বিএসএফের তিনটি পুশইন মিশন ব্যর্থ হয়।
৩ দিন আগে
বগুড়ায় জুলাই হত্যাচেষ্টা মামলায় স্বাচিপ নেতা ডা. মিশু গ্রেপ্তার
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি ও বাগেরহাট সরকারি মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের (ম্যাটস) প্রশিক্ষক ডা. সামির হোসেন মিশুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ধুনট মোড় এলাকার হোটেল মকটেল থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে বগুড়া সদর থানায় নেওয়া হয়।
ডা. মিশু বগুড়া মহানগরীর জলেশ্বরীতলা এলাকার মৃত ডা. সাফদার হোসেনের ছেলে। পলাতক হাসিনা সরকারের আমলে তিনি ভারপ্রাপ্ত জেলা সিভিল সার্জন ও বগুড়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) বগুড়া জেলা শাখা এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদের বগুড়া শাখার সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বাগেরহাট সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসক বন্ধু স্বপনের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে হোটেল মকটেলে যান ডা. মিশু। সেখানে তার উপস্থিতির খবর ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে শেরপুর থানায় নিয়ে যায়। এরপর বগুড়া সদর থানায় দায়ের করা জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় এজাহার নামীয় আসামী হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈনুদ্দীন বলেন, বগুড়া সদর থানার একটি মামলার ভিত্তিতে ডা. মিশুকে থানায় আনা হয়। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বগুড়া সদর থানায় পাঠানো হয়েছে।
৪ দিন আগে
নওগাঁ সীমান্তে ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় শূন্যরেখায় অবস্থান
নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ মোট ৯ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা (পুশ ইন) করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফ। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বাধার মুখে তারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারেননি। ফলে এসব ব্যক্তি বর্তমানে সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।
বুধবার (২৪ জুন) সকালে নওগাঁ-১৬ বিজিবি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ (বুধবার) ভোর ৪টার দিকে নওগাঁর সাপাহার আদাতলা সীমান্ত চৌকি (বিওপি) এলাকার সীমান্ত পিলার ২৪৪/এমপি দিয়ে ভারতীয় ২৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের এলেনপুর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা ৯ জন নারী-পুরুষ-শিশুকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশইনের চেষ্টা করেন। এদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ, ৩ জন নারী ও ৩টি শিশু রয়েছে। সংবাদ পাওয়ার পর সাপাহার উপজেলার আদাতলা সীমান্ত চৌকির (বিওপি) বিজিবির টহলদল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। বর্তমানে ওই ৯ ব্যক্তি ভারত ও বাংলাদেশের দুই দেশের সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই এলাকায় বিজিবির অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং স্থানীয় জনগণের সহায়তায় সার্বক্ষণিক নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
নওগাঁ-১৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, খবর পাওয়ার পর ওই এলাকায় টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। ওই ৯ জনসহ বাংলাদেশে কাউকে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। তাদের ভারতীয় ভূখণ্ডে পাঠানোর (পুশ ব্যাক) কার্যক্রম চলছে।
৪ দিন আগে
নওগাঁয় ‘শয়তানের নিঃশ্বাস চক্রের’ তিন সদস্য গ্রেপ্তার
মহিলাদের কেমিক্যাল প্রয়োগ করে অলংকার ও টাকা হাতিয়ে নেওয়া শয়তানের নিঃশ্বাস চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে নওগাঁ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটা দল।
শনিবার (২০জুন) মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল জেলার পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের সার্বিক দিকনির্দেশনায় প্রায় এক সপ্তাহব্যাপী এই অভিযানটি পরিচালনা করেন ডিবি পুলিশের একদল সদস্য।
গ্রেপ্তাররা হলেন— নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার চনপাড়া এলাকার আবু হাসান, বাবু এবং সবুজ।
রবিবার (২১জুন) বিকেলে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম তার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, গত কয়েক মাসে নওগাঁ জেলায় একদল অপরাধী শহরের কয়েকটি স্থানে বয়স্ক মহিলাদের টার্গেট করে। এরপর তারা কথিত শয়তানের নিঃশ্বাস, অর্থাৎ এক বিশেষ ধরনের কেমিক্যাল ‘স্কোপোলামিন’ ব্যবহার করে ওই সকল মহিলাদের সম্মোহিত করে তাদের নিকট থাকা অলংকার এবং টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়।
এসপি বলেন, এই কেমিক্যালটা কোনোভাবে কাউকে নাকে প্রয়োগ করলে সেই ব্যক্তি কিছু সময়ের জন্য স্মৃতিভ্রম হয়ে যান এবং অপরাধীর কথামতো কাজ করেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেই তার কানের দুল স্বর্ণালংকার এবং টাকা পয়সা অপরাধীর হাতে স্বেচ্ছায় তুলে দেন। এমনকি কখনও বাসার আলমারি খুলেও অলংকার এবং টাকা পয়সা অপরাধীদের হাতে তুলে দিতে দেয়।
এসপি তারিকুল ইসলাম বলেন, এ সংক্রান্তে নওগাঁ থানায় মোট তিনটি মামলা হয়। সেই সকল মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বেশ কয়েকবার নারায়ণগঞ্জ জেলায় অভিযান চালায়। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্লেষণ করে জেলা গোয়েন্দা শাখা জানতে পারে একটি চক্র টাঙ্গাইলে একই ধরনের ঘটনা ঘটাতে যাচ্ছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল (শনিবার) ডিবি পুলিশের একটা দল টাঙ্গাইল জেলার পুরাতন বাস স্ট্যান্ড থেকে শয়তানের নিঃশ্বাস চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
এসপি বলেন, গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, এই চক্রটি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানা এলাকায় রয়েছে। এবং তাদের আট থেকে দশটি গ্রুপ রয়েছে। তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষকে কেমিক্যাল প্রয়োগ করে এই ধরনের অপরাধ করে। ইতোমধ্যে তারা নারায়ণগঞ্জ, নওগাঁ এবং খুলনা জেলায় কমপক্ষে দশটি অপরাধ সংগঠিত করেছে।
তিনি আরও বলেন, এই অপরাধ সংগঠনের ক্ষেত্রে তারা বয়স্ক মহিলাদের টার্গেট করে। প্রথমে একজন অভিনয় করে সেই মহিলার কাছে সাহায্য চায়, পরে একজন এসে মহিলার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করে এবং অপরজন এসে সেই মহিলাকে শয়তানের নিঃশ্বাস বা কেমিক্যাল স্প্রে করে। এরপর আক্রান্ত মহিলা তাদের কথামতো সম্মোহিত হয়ে তার অলংকার এবং টাকা পয়সা অপরাধীর হাতে তুলে দেন।
নওগাঁ জেলা পুলিশ এই ধরনের অপরাধ দমনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলে জানান এসপি তারিকুল ইসলাম।
৭ দিন আগে
বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা মামলা: ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড
বগুড়ায় ৮ বছরের শিশু রিফাত হোসেনকে হত্যার ঘটনায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এই অপরাধের সময় আরও ৫ আসামি নাবালক হওয়ায় তাদের ১০ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যাল-১-এর বিচারক মো. আনোয়ারুল হক এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— শাজাহানপুরের খাদাস এলাকার আবুল কালাম আজাদ, সাগর, সেলিম ইসলাম, মেহেদী হাসান ও রাজু ইসলাম । এদের মধ্যে সাগর ও সেলিম ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে পলাতক আছেন।
আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু হিসেবে সাজাপ্রাপ্তরা হলেন— সজিব হাসান, মফিজুল ইসলাম, জাহিদ হাসান, বোরহান আলী ও বায়েজিদ হোসেন। এরাও খাদাস গ্রামের বিভিন্ন পাড়ার বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নিহত রিফাত শাজাহানপুরের খাদাস হাটখোলা এলাকার এনামুল হকের ছেলে ছিল। আসামিরা সবাই নিহতের পরিবারের প্রতিবেশি ও পরিচিত। ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই তাকে হত্যা করে মরদেহ গুম করে আসামিরা। পরে মরদেহের সন্ধান পেয়ে ১৮ জুলাই শাহাজানপুর থানায় মামলা করেন এনামুল হক।
আদালত সূত্র জানিয়েছে, এনামুল হক প্রবাসী ছিলেন। দেশে আসার পর তার কাছে থেকে বিভিন্ন সময় প্রতিবেশী আবুল কালাম আজাদ টাকা চাইতেন। ঘটনার দিনও এনামুলের কাছে ১ লাখ টাকা ধার হিসেবে দাবি করেছিলেন আবুল কালাম আজাদ, কিন্তু টাকা দিতে অস্বীকার করেন এনামুল। এরপর সেদিন বিকেল থেকে এনামুলের বড় ছেলে রিফাত হোসেনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করে না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তিনি। এর ৩ দিন পর স্থানীয় ইউপি সদস্যের স্বামীর মাধ্যমে এনামুল জানতে পারেন পার্শ্ববর্তী পোয়ালগাছা গ্রামের একটি সেতুর নিচে একটি শিশুটির মরদেহ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে রিফাতের পরিবার তার মরদেহ চিহ্নিত করে। পরে নিহত রিফাতের বাবা শাজাহানপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালে মামলা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আলী আজগার আলী জানান, মামলায় মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছিল। তবে মাসুদ রানা নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ায় মামলা থেকে তার নাম বাদ পড়েছে। এর আগে সব আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
৭ দিন আগে
রাজশাহীতে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি
রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার স্বর্ণপট্টির একটি দোকানে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) দিবাগত রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে কারুশ্রী জুয়েলার্সে প্রবেশ করে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়।
ব্যবসায়ীদের ধারণা, এ দোকানে কয়েক কোটি টাকার স্বর্ণালঙ্কার ছিল।
আজ (শনিবার) সকালে দোকান খোলার সময় প্রথম ঘটনাটি ধরা পড়ে। পরে দেখা যায়, আফিয়া জুয়েলার্স ও কারুশ্রী জুয়েলার্সের মধ্যবর্তী পার্টিশন দেয়াল কেটে দুর্বৃত্তরা ভেতরে প্রবেশ করে বলে স্থানীয়রা দাবি করে।
পুলিশের ধারণা, প্রথমে আফিয়া জুয়েলার্সের তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকে চক্রটি। পরে সেখান থেকে দেয়াল কেটে কারুশ্রী জুয়েলার্সে প্রবেশ করে এবং সিন্ধুক ভেঙে স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়। বের হওয়ার সময় তারা আবার আফিয়া জুয়েলার্সে তালা লাগিয়ে যায়।
কারুশ্রী জুয়েলার্সের মালিক তূর্য সরকার সকালে দোকান খুলতে এসে ভেতরের এলোমেলো অবস্থা দেখে ডাকাতির বিষয়টি নিশ্চিত হন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশের ব্যবসায়ীরাও ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। পরে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা তাদের সব দোকান বন্ধ করে প্রতিবাদ জানান।
পুলিশ জানায়, ঠিক কত পরিমাণ স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট হয়েছে, তা এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। দোকান কর্তৃপক্ষ হিসাব-নিকাশ শেষে ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট তথ্য জানাবে। তবে প্রাথমিকভাবে কয়েক কোটি টাকার স্বর্ণালংকার লুট হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের ধারণা, এটি পরিকল্পিত একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতি। দোকানের বিন্যাস ও ভেতরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে আগে থেকেই চক্রটি জানত বলেই মনে করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল ঘিরে বিভিন্ন ধরনের সন্দেহও তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, আশপাশের স্থাপনা থেকে দীর্ঘদিন পর্যবেক্ষণ করে ডাকাতচক্র পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে। তবে এসব বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
বোয়ালিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। এটি সংঘবদ্ধ চক্রের কাজ কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
এদিকে, ঘটনার পর স্বর্ণপট্টি এলাকায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
ঘটনার প্রতিবাদে দুপুরে জুয়েলার্স সমিতির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলও করা হয়। ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে লুট হওয়া স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় জুয়েলার্স সমিতি।
৮ দিন আগে
নওগাঁয় ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে গ্রেপ্তার ৩
নওগাঁর রাণীনগর-আত্রাই আঞ্চলিক মহাসড়কে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে ৩ ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছিনতাইকারী দলের আরও ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ১০টার দিকে রাণীনগর-আত্রাই আঞ্চলিক মহাসড়কের গোনা মোড় নামক স্থানে ছিনতাইয়ের চেষ্টা করার সময় স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ (শনিবার) দুপুরে রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া মণ্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন— নওগাঁ সদর উপজেলার উত্তর সর্দারপাড়া গ্রামের ফয়সাল হোসেন (২১), বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার সানা মণ্ডল (২২) এবং একই গ্রামের রাব্বি হাসান (১৯)।
রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, শুক্রবার রাতে গোনা এলাকার মাহবুব নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী রাণীনগর-আত্রাই আঞ্চলিক মহাসড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে গোনা মোড় এলাকায় পৌঁছালে তিনটি মোটরসাইকেলে থাকা ৮ জন ছিনতাইকারী তাকে ধাওয়া করেন। এ সময় মাহবুবের পেছনে বসা যাত্রীর চিৎকারে স্থানীয় জনগণের পাশাপাশি পুলিশও এগিয়ে আসে। সে সময় ছিনতাইকারীরা পালানোর চেষ্টা করেন।
তিনি আরও বলেন, পরে ছিনতাইকারীদের ধাওয়া করে উপজেলার খট্টেশ্বর এলাকা থেকে জনগণের সহযোগিতায় তাদের মধ্যে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় একজনের কাছ থেকে একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ৩ জন একটি মোটরসাইকেলে ছিলেন। সে সময় অপর দুই মোটরসাইকেলে থাকা আরও ৫ ছিনতাইকারী পালিয়ে যান।
ওসি বলেন, তারা মূলত ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই এসেছিল। চালক মাহবুবকে ধরতে পারলে হয়তো মারধর করে তার মোটরসাইকেলটি ছিনতাই করে নিয়ে যেত। গ্রেপ্তার তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আর পালিয়ে যাওয়া পাঁচ ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।
৮ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২০ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) তাৎক্ষণিক তৎপরতায় বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি তারা।
শনিবার (২০ জুন) সকালে এ তথ্য জানান বিজিবির মহানন্দা ৫৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী।
তিনি জানান, গতকাল (শুক্রবার) গভীর রাতে বিএসএফ অবৈধভাবে ২০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে। এ সময় বিজিবির চৌকা বিওপির সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে বাধা দিলে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। অনুপ্রবেশকারী ২০ জনের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং চারজন শিশু ছিল। তারা শূন্যরেখার ভারতীয় অংশে অবস্থান করতে থাকে।
বিজিবি সূত্র জানায়, এ ঘটনায় আজ (শনিবার) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আলোচনার পর বিএসএফ ওই ২০ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নেয়।
তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, পুশইন ও অবৈধ প্রবেশ প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
৮ দিন আগে
বাড়ছে যমুনার পানি, ভাঙ্গন শুরু চরাঞ্চলে
সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি ক্রমাগতভাবে বাড়ছে। সেইসঙ্গে চরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যেই অনেক জায়গা-জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এ ভাঙ্গন রোধে জরুরি ভিত্তিতে কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (হেডকোয়ার্টার) নাজমুল হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, প্রায় সপ্তাহ ধরে দফায় দফায় প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সিরাজগঞ্জের কাছে যমুনা নদীর পানি বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি বেড়েছে ২৮ সেন্টিমিটার । এ সময়ে সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ১৫ ও কাজিপুর পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। এতে যমুনা নদীর নিম্নাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বর্ষণ ও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় যমুনা নদীর চর এলাকার বেশ কয়েকটি স্থানে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে চৌহালী ও কাজিপুর উপজেলার চরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে এ ভাঙ্গন শুরু হয়েছে।
নাজমুল হোসাইন বলেন, ইতোমধ্যে চৌহালী উপজেলার চর সলিমাবাদ এলাকায় ভাঙ্গনে প্রায় ১০০ মিটার যমুনার তীর সংরক্ষণ বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। এ ভাঙ্গন রোধে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ করছে। এছাড়া কাজিপুর উপজেলার চরাঞ্চলের ভাঙ্গনে অনেক জায়গা জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। যমুনায় পানি বৃদ্ধি, ঢেউ ও নদীর তলদেশে ঘূর্ণাবর্তের কারণে এ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।
এদিকে যমুনার তীরবর্তী শাহজাদপুর, কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে এ ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনে ইতোমধ্যেই বহু জায়গা জমি যমুনা নদীর গর্ভে বিলীন হয়েছে বলে জানান স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, পাহাড়ি ঢল ও দফায় দফায় বর্ষণে যমুনার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে চরাঞ্চলের অনেক স্থানে ভাঙ্গনও দেখা দিয়েছে এবং চৌহালীর ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ করছে। তবে বন্যার আশঙ্কা নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।
১০ দিন আগে