প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
শিশু-কিশোররই বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর: প্রধানমন্ত্রী
পড়াশোনার পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা, শিল্পকলা ও সংস্কৃতিতেও দক্ষতা অর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, শিশু-কিশোরদেরই একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দেশব্যাপী নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তোমাদেরই এই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে এবং পৃথিবীর বুকে শক্তিশালী হিসেবে দাঁড় করাতে হবে। তোমরা একেকজন বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর (দূত) এবং এ দেশের মালিক।’
তিনি আরও বলেন, বিশ্বে সফল হতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা যথেষ্ট নয়। পড়াশোনার পাশাপাশি শিশুদের খেলাধুলা, শিল্পকলা ও সংস্কৃতিতে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, কেউ চিকিৎসক, প্রকৌশলী, স্থপতি বা আইনজীবী হবে। কিন্তু পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, শিল্পকলা ও সংস্কৃতিও শিখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার এমন পরিবেশ তৈরি করতে চায়, যেখানে শিশুরা পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) শিক্ষার্থীদের পরিবেশনার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা খেলাধুলার পাশাপাশি নাচ, গান ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়েও নিজেদের দক্ষতা তুলে ধরেছে।
এ সময় শিশু-কিশোরদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের প্রতিভা বিকাশে উৎসাহিত করেন তারেক রহমান।
তিনি জানান, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরে ১৬ লাখের বেশি শিশু-কিশোর নিবন্ধন করেছে। আগামী বছরের জুনে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিপুলসংখ্যক শিশুর অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, দেশের শিশু-কিশোরদের মধ্যে প্রতিভার কোনো অভাব নেই। তাদের মেধা বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ ও পরিবেশ তৈরি করা সরকারের দায়িত্ব।
বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শেখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। শিশুদের ছয় বা সাতটি বিদেশি ভাষার মধ্য থেকে পছন্দমতো একটি শেখার সুযোগ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ‘তোমরা যদি পড়ালেখায় ভালো হও, খেলাধুলা, শিল্পকলা ও সংস্কৃতিতে ভালো হও এবং তৃতীয় একটি বিদেশি ভাষা শেখো, তাহলে পৃথিবীর কোনো জাতিই তোমাদের আটকে রাখতে পারবে না।’
একদিন বাংলাদেশ শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে, যার উদাহরণ অন্যরা অনুসরণ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে এ প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে ভার্চুয়ালি দেশের ৫০৩টি উপজেলায় এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন তিনি।
১৭ ঘণ্টা আগে
দেশব্যাপী নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
তরুণ ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও শিশু-কিশোরদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। একই সময়ে ভার্চুয়ালি দেশের ৫০৩টি উপজেলাতেও এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেন তারেক রহমান। এ সময় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক ও ভারপ্রাপ্ত সচিব মাহফুজুল আলম খান তাকে স্বাগত জানান।
প্রধানমন্ত্রী স্টেডিয়ামে প্রবেশের সময় গ্যালারিতে থাকা শিক্ষার্থী ও তরুণ ক্রীড়াবিদরা হাত নেড়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীও গ্যালারির দিকে হেঁটে গিয়ে হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।
এরপর বেলুন উড়িয়ে ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া কয়েকজন তরুণ ক্রীড়াবিদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চীনের একদল শিক্ষার্থী ঐতিহ্যবাহী চীনা ড্রাগন ও সিংহ নৃত্য পরিবেশন করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরে অনলাইনে মোট ১৬ লাখ ২৩ হাজার ২১৮ জন অংশগ্রহণকারী নিবন্ধন করেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
কলকারখানা ধ্বংসের ষড়যন্ত্রকারীরা চব্বিশের মতো জবাব পাবে: প্রধানমন্ত্রী
সীমান্তের ওপার থেকে দেশের কলকারখানা ধ্বংসের চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ২০২৪ সালের মতো দেশের মানুষ এর উপযুক্ত জবাব দেবে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাগেরহাটের কাটাখালী মোড়ে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৪ সালে বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে উপযুক্ত জবাব দিয়েছিল, সামনের দিনগুলোতেও আমরা তাদের উচিত জবাব দেব।’
দেশের শিল্পকারখানা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মানুষকে, বিশেষ করে শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, কোনো শ্রমজীবী, শ্রমিক কখনও কোনো শিল্পকারখানার ক্ষতি করতে চাইবেন না। এসব কলকারখানা জাতীয় সম্পদ। এগুলো এ দেশের মানুষের, শ্রমিকদের।’
তারেক রহমান বলেন, মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে এবং পরিকল্পনা তৈরি করেছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা এসব উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এখন দেশ গড়ার ও দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের সময়। আসুন, খেটে খাওয়া মানুষ ও শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে আমরা আমাদের সব শক্তি দিয়ে এসব ষড়যন্ত্রকারীকে উপযুক্ত জবাব দিই।’
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, গত ১৫ থেকে ১৬ বছরে যারা মানুষের জীবনমান উন্নত করতে পারেনি, তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে এবং দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করেছে, তারাই এখন সীমান্তের ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, কলকারখানা ধ্বংস হলে শ্রমিক ও তাদের পরিবারই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ তাদের জীবিকা ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ এসব কারখানার ওপর নির্ভরশীল।
শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবির প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, নির্বাচিত সরকার দেশের সমস্যা সমাধান এবং শিল্প ও বাণিজ্যের প্রসারে দিনরাত কাজ করছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
খান জাহান আলীর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাগেরহাটে হজরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেছেন। সেখানে তিনি ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে মোংলা থেকে সড়কপথে মাজারে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।
জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন ও মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলাম তাকে স্বাগত জানান।
এ সময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং স্থানীয় বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর খান জাহান আলীর মাজারে এটিই তারেক রহমানের প্রথম সফর।
এর আগে সকালে মোংলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। পরে মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।
বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
২০ ঘণ্টা আগে
মোংলা বন্দর সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হবে, আশা প্রধানমন্ত্রীর
মোংলা বন্দর আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিল্পায়নের নতুন সুযোগ তৈরি হবে এবং বন্দরটি এ অঞ্চলের সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাগেরহাটের মোংলায় চার হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে মোংলা বন্দর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মোংলা বন্দর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য একটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক হাব বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।’
বন্দরকে কেন্দ্র করে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও যশোরজুড়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ করা সম্ভব বলেও জানান তিনি।
মোংলা বন্দর আধুনিকায়নকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে একটি পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন তারেক রহমান।
এ লক্ষ্য অর্জনে বন্দরের নাব্যতা, নির্ভরযোগ্য নৌপথ, জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা ও প্রতিযোগিতামূলক বন্দরসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার পঞ্চগড় থেকে মোংলা পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি বন্দরের সরবরাহব্যবস্থা ও পণ্য পরিবহনের সুবিধা বাড়াতে চায়।
তিনি আরও বলেন, খান জাহান আলী বিমানবন্দরের উন্নয়ন ও পরিচালনাও সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার খুলনা-বাগেরহাটে দিনব্যাপী কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) সকাল ৯টায় হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে বাগেরহাটের মোংলায় যাবেন। পরে সেখান থেকে সড়কপথে খুলনায় যাবেন বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি বলেন, মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর দুটি ও খুলনায় একটি নির্ধারিত কর্মসূচি রয়েছে। এছাড়া তিনি বাগেরহাট জেলা শহরে হজরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন।
মোংলায় কর্মসূচি শেষ করে তারেক রহমান সড়কপথে খুলনায় যাবেন এবং খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করবেন।
দেশজুড়ে তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।
তার সফরকে সামনে রেখে খুলনা নগরী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে সাজানো হয়েছে। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতার প্রচারে জেলা স্টেডিয়াম ও আশপাশের সড়কে লাগানো হয়েছে রঙিন ব্যানার ও ফেস্টুন।
শিববাড়ী মোড় থেকে রেলওয়ে স্টেশনের প্রধান ফটক পর্যন্ত দেয়ালে খুলনার ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরে গ্রাফিতিও আঁকা হয়েছে। এসব গ্রাফিতিতে জায়গা পেয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, সুন্দরবন ও রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রতিকৃতি।
সরকারপ্রধানদের আগের সফরগুলোর মতো এবার নগরী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের লাগানো স্বাগত তোরণ, ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে যায়নি।
প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে স্থাপন করা তোরণ ও বিলবোর্ডের পাশাপাশি দলীয় ব্যানার ও ফেস্টুনও সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সামনে রেখে নগরজুড়ে নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে।
খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে নগরী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীকে সাদরে অভ্যর্থনা জানাতে অপেক্ষা করছি।’
১ দিন আগে
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের ওপর সৃষ্ট চাপের কথা তুলে ধরে দীর্ঘদিনের এ সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে এ অনুরোধ জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন জানান, বৈঠকে তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে ১৩ লাখ রোহিঙ্গার উপস্থিতির কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি, সমাজ, জনমিতি ও পরিবেশের ওপর সৃষ্ট চাপের বিষয়টি তুলে ধরেন এবং এ সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা কামনা করেন।
জবাবে লিউ হাইশিং বলেন, চীন রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কে অবগত। এ বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগের কথা তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে অবহিত করবেন।
সাক্ষাৎকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পৌঁছে দেন লিউ হাইশিং।
জবাবে প্রধানমন্ত্রীও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও দেশটির প্রিমিয়ার (প্রধানমন্ত্রী) লি কিয়াংকে শুভেচ্ছা জানান।
লিউ হাইশিং বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরের সময় দুই দেশের ভবিষ্যৎ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি নতুন যুগের যৌথ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সেই ঘোষণার আলোকে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও সম্প্রসারণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতি চীনের অঙ্গীকার অপরিবর্তিত রয়েছে।
ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের সম্ভাবনার প্রতিও আস্থা প্রকাশ করেন চীনা মন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়। দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের জনগণের হৃদয়ে এ সম্পর্কের বিশেষ স্থান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই ঐতিহাসিক সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা এগিয়ে নেওয়া এখন তাদের দায়িত্ব।
১ দিন আগে
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ডাকটিকিটের পাশাপাশি ১০ টাকা মূল্যমানের উদ্বোধনী খাম ও ৫ টাকা মূল্যমানের ডেটা কার্ড অবমুক্ত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এসব তথ্য জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী স্মারক ডাকটিকিট ও উদ্বোধনী খামে স্বাক্ষর করেন এবং বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করে আনুষ্ঠানিকভাবে সেগুলো অবমুক্ত করেন।
বাংলাদেশ ডাক বিভাগ প্রকাশিত স্মারক ডাকটিকিটটি দেশের সব ডাকঘরে বিক্রি করা হবে।
এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান এবং ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান স্মরণে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আগামী শনিবার সারা দেশে পালিত হবে।
গত ৫ অক্টোবর মন্ত্রিসভা দিবসটি উপলক্ষে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন করে।
১ দিন আগে
দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারাজ পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, দ্বিতীয় যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ শাহরিয়ার এসব তথ্য জানিয়েছেন।
বৈঠকে জানানো হয়, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে সমীক্ষা শেষ হওয়ার পর সেতু দুটির অবস্থান, নকশা ও প্রকল্প ব্যয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর ক্ষেত্রে ওয়াই-আকৃতির সংযোগব্যবস্থা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এছাড়া দ্বিতীয় যমুনা সেতুর ক্ষেত্রে রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে।
দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মিত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ আরও সহজ হবে।
পাশাপাশি মোংলা সমুদ্রবন্দর এবং বেনাপোল ও দর্শনা স্থলবন্দরের সঙ্গে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে উঠবে।
বৈঠকে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট মোকাবিলা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, নদীর প্রবাহ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ব্যারাজের ওপর দিয়ে সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন, জমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়ও বৈঠকে উঠে আসে।
সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বৈঠকে অংশ নেন।
এছাড়া অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মহা. এনামূল হক, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (যুগ্মসচিব) মো. ভিখারুদ্দৌলা চৌধুরী, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন এবং পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের পরিচালক মাহমুদ হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করা সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী
আমদানিনির্ভরতা কমানো ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সরকার আগামী গ্রীষ্মের আগে জাতীয় গ্রিডে তিন থেকে চার হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করার আশা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘সবকিছু পরিকল্পনা মাফিক যদি এগোয়, আগামী গ্রীষ্ম মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই জাতীয় গ্রিডে সরকার তিন থেকে চার হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ সংযোগ করতে সক্ষম হবে ইনশাআল্লাহ।’
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো আয়োজিত বাংলাদেশ সোলার এক্সপো-২০২৬ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুতের সম্প্রসারণে অর্থায়ন সহজ করতে সরকার প্রাথমিকভাবে দেড় হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীরা যাতে অর্থের অভাবে পিছিয়ে না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে আরও অর্থের সংস্থান করা হবে বলেও জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, এ খাতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে সরকার বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করেছে এবং বিভিন্ন নীতিমালা, কর ও শুল্ক-সংক্রান্ত পদক্ষেপ নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ নেট মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় ছাদে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রণোদনাসহ প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে কিনবে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী সরকারি ও বেসরকারি অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, শিল্পকারখানা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং বাসাবাড়ির অব্যবহৃত ছাদ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহারের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, নিজের বাসায়ও তিনি সৌরপ্যানেল স্থাপন করেছেন। পরিবারের বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর পর সেখান থেকে কিছু অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ইতোমধ্যে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারছেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, সোলার এক্সপো প্রমাণ করেছে, কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের নামে লুটপাটের পরিবর্তে সাশ্রয়ী সমাধানের মাধ্যমে দেশের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনাময় একটি খাত নয়; এটি একটি অনিবার্য বাস্তবতা।’
২ দিন আগে