প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
ঈদযাত্রার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঈদে ঘরমুখী যাত্রীদের যাত্রার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সারা দেশে ঈদযাত্রায় জনদুর্ভোগ হচ্ছে কিনা, তার খোঁজ-খবর রাখছেন তিনি।
এ বিষয়ে শুক্রবার (২০ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘তিনি কর্মব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছেন। সারা দেশে ঈদযাত্রায় কোথাও কোনো ব্যাঘাত হচ্ছে কিনা, কোথাও যানজটে জনদুর্ভোগ হচ্ছে কিনা, নৌপথে লঞ্চের মানুষজন ঠিকভাবে বাড়িতে যেতে পারছে কিনা—এসব বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন।’
প্রাকৃতিক দুযোর্গের কারণে রাজধানীতে জাতীয় ঈদগাহ এবং রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের অনুষ্ঠানের সর্বশেষ প্রস্তুতির বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রী খবর নিয়েছেন বলে জানান তিনি।
১৭ বছর লন্ডনে নির্বাসিত থাকার পর এবার প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে ঈদ উদযাপন করবেন তারেক রহমান। রুমন জানান, লন্ডন ও সৌদি আরব থেকে পরিচিত কয়েকজন প্রধানমন্ত্রীকে টেলিফোন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।
শুক্রবার জুমাতুল বিদায় প্রধানমন্ত্রী বনানীর নৌবাহিনীর সদর দপ্তর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুমার নামাজ পড়েছেন বলে জানান রুমন।
১৯ ঘণ্টা আগে
ঈদ হোক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও মানবিকতার বন্ধন জোরদারের অনুপ্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।’
তিনি বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলমানদের সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসবের একটি। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযমের পর পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জীবনে আনন্দ, শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা নিয়ে আসে।
তারেক রহমান বলেন, পবিত্র রমজান মাস সংযম, ত্যাগ, খেদমত ও আত্মশুদ্ধির অনন্য শিক্ষা দেয়। এই এক মাসের সাধনা মানুষকে আত্মসংযমী হতে এবং অন্যের কষ্ট অনুভব করতে শেখায়। এর মাধ্যমে সমাজে সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব জাগ্রত হয়।
তিনি বলেন, রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে প্রতিফলিত করাই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য। ঈদ আমাদের ধনী-গরিব, ছোট-বড় সব ভেদাভেদ ভুলে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই আনন্দের দিনে আমরা যেন সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিই—এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে। ‘আসুন, আমরা ঈদের মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি মানবিক, উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সম্মিলিতভাবে কাজ করি।’
শেষে তিনি মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে প্রার্থনা করেন, তিনি যেন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ, রহমত ও বরকত সবার জীবনে বর্ষিত করেন এবং দেশ ও জাতিকে শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নয়, গুলশান অ্যাভেনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে নিজের বাসাতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৯ বৃহস্পতিবার) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানে নিজের বাসায় থাকবেন। সরকারি বাসভবন যমুনায় উঠছেন না। তারেক রহমান গুলশানের নিজের যে ছোট বাসাটি, তাতে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। সেজন্য তিনি দেশে ফেরার পর এই বাসায় উঠেছেন। সেই ভাবে বাসাটি সাজানো-গোছানো হয়েছে।’
রুমন জানান, পবিত্র ঈদের দিন সকাল ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে আসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তিনি সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিয়ে নামাজ আদায় করবেন।
নামাজ শেষে সকাল ১০টা থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে তিনি পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
১ দিন আগে
যমুনায় কূটনীতিক ও সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী
পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ এবং সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৮ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ঈদুল ফিতরের দিন সকাল ১০টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ শুভেচ্ছা বিনিময় কর্মসূচি শুরু হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। এরপর তিনি সকাল ১০টায় যমুনায় যাবেন এবং সেখানে প্রথমেই কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী পরবর্তীতে মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট নাগরিক, শিক্ষাবিদ, ধর্মীয় নেতা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সরকারি-বেসরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শেরেবাংলা নগরে যাবেন। সেখানে তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে এ বছর ঈদুল ফিতর আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) অথবা শনিবার (২১ মার্চ) উদযাপিত হবে।
দেড় দশকেরও বেশি সময় পর এটিই হবে দেশে তারেক রহমানের প্রথম ঈদ উদযাপন। গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর সপরিবারে দেশে ফেরার আগে তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর লন্ডনে ঈদ কাটিয়েছেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
২ দিন আগে
ঈদের ছুটির মধ্যেও অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার থেকে সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে তার দপ্তরে অফিস করছেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী বেলা ১১টার দিকে তার কার্যালয়ে পৌঁছান। তিনি সচিবালয়ে পৌঁছালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার তাকে অভ্যর্থনা জানান।
তিনি জানান, ঈদের ছুটি শুরু হলেও প্রধানমন্ত্রী তার দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত রেখেছেন। সচিবালয়ে পৌঁছে তিনি বেশ কিছু বৈঠকে অংশ নেন। এছাড়া আজ মন্ত্রিসভারও বৈঠক রয়েছে।
উল্লেখ্য, আজ ১৭ মার্চ থেকে ঈদের ছুটি শুরু হয়েছে, যা ২৩ মার্চ পর্যন্ত চলবে। এর আগে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করেছিল। নির্বাহী আদেশে ঈদের আগে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ঈদের পরে ২২ ও ২৩ মার্চ ছুটি ঘোষণা করা হয়।
ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত সহজ করতে সরকার ১৮ মার্চকেও ছুটি ঘোষণা করে। এর ফলে ১৭ মার্চের শবে কদরের ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে এটি টানা সাত দিনের ছুটিতে পরিণত হয়।
৩ দিন আগে
খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া খালে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে দেশব্যাপী খাল খনন ও পুনর্খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামে এ কর্মসূচির সূচনা করেন তিনি। এই উদ্যোগটি মূলত বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শুরু করা দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচিকে পুনরায় ফিরিয়ে আনল।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালুর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির দেওয়া আরও একটি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী।
মন্ত্রী ও বিএনপি নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তারেক রহমান কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়ায় নিজে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে সাহাপাড়া খাল পুনর্খননের কাজ শুরু করেন।
নিজ হাতে খাল খনন করার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তার পিতা, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দেন। প্রায় পাঁচ দশক আগে, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি নিজে খাল খনন করে এই ধরনের একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
সরকারপ্রধানকে তার প্রয়াত পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে নিজে খাল খনন করতে দেখে স্থানীয় হাজার হাজার মানুষ বিপুল উৎসাহের সঙ্গে তা প্রত্যক্ষ করেন।
প্রধানমন্ত্রী সকাল সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা থেকে বিমানে করে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখান থেকে তিনি সড়কপথে দিনাজপুরের বলরামপুর সাহাপাড়া এলাকায় যান। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকার বাইরে এটিই তারেক রহমানের প্রথম সফর।
সাহাপাড়া খালের কাছে একটি জনসভায় তার ভাষণ দেওয়ারও কথা রয়েছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বিএনপি যৌথভাবে এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
৪ দিন আগে
খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে দিনাজপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী
সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করতে দিনাজপুর যাওয়ার পথে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখান থেকে তিনি সড়ক পথে দিনাজপুরের পথে রওনা হয়েছেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে রওনা হয়ে সকাল সোয়া ১০টার দিকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান।
রুমন আরও জানান, বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া এলাকায় যাবেন।
তিনি বলেন, তারেক রহমান সাহাপাড়া খাল পুনঃখননের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাহাপাড়ায় একটি জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ঢাকার বাইরে তারেক রহমানের প্রথম সফর।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালুর পর, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আরও একটি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার এখন খাল খনন কর্মসূচি শুরু করছে।
প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুর শহরের উপকণ্ঠে শেখ ফরিদ মডেল কবরস্থানে তার নানা মো. ইস্কান্দার মজুমদার, নানি তৈয়বা মজুমদার এবং খালা খুরশিদ জাহান হকের কবর জিয়ারত করবেন।
বিকেল ৫টার দিকে দিনাজপুর সার্কিট হাউসে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন তিনি। এরপর রাতে আকাশপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তার।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এই সফরকে ঘিরে দিনাজপুরের বিএনপি নেতা-কর্মী, কৃষক এবং সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
৪ দিন আগে
পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্ধোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
ফ্যামিলি কার্ড চালুর পর এবার নিজের নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণে আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, রবিবার (১৫ মার্চ) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কৃষক কার্ড-সংক্রান্ত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে এটি পাইলট প্রকল্প আকারে চালু করা হবে। এর মাধ্যমে প্রান্তিক ও অসহায় কৃষকরা ফ্যামিলি কার্ডের মতোই বিশেষ কিছু সুবিধা পাবেন। এই কার্ডের মাধ্যমে ভর্তুকি, সার, বীজ এবং কীটনাশক সরাসরি কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে যোগ্য ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা ভর্তুকি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং স্থানীয় সরকার, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ অন্যান্যরা বৈঠকে অংশ নেন।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি নির্বাচনি ইশতেহারে নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য মাসিক ভাতা সম্বলিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং প্রান্তিক কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
গত ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারীপ্রধান পরিবারগুলোর জন্য ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তার একটি অন্যতম নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণ হয়েছে। সরকার গঠনের মাত্র তিন সপ্তাহের মাথায় প্রধানমন্ত্রী তার নির্বাচনি এলাকা বনানীর কড়াইল বস্তি-সংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে এই কার্ডের উদ্বোধন করেন।
৫ দিন আগে
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরুর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ডেঙ্গু কিংবা চিকুনগুনিয়ার মতো প্রাণঘাতী রোগ জনগণের প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আগে থেকেই সকল প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্যে আগামী ১৪ মার্চ থেকে প্রতি সপ্তাহে সারা দেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরুর আহ্বান দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (১১ মার্চ) দেশবাসীর উদ্দেশে এক বিশেষ ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু কিংবা চিকুনগুনিয়ার মতো প্রাণঘাতী রোগ জনগণের প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ আমরা সবাই সচেতন হলে ডেঙ্গু কিংবা চিকুনগুনিয়া থেকে নিজেদের রক্ষা করা সম্ভব। বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, এডিস মশার কামড় থেকে মানুষ ডেঙ্গু কিংবা চিকনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়। সুতরাং, ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আগে থেকেই সকল প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, বর্ষা মৌসুম অর্থাৎ জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত এই সময়টিতে সাধারণত ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি থাকলেও জনস্বাস্থ্যবিদরা বলছেন, বর্তমানে ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নির্দিষ্ট কোনো মৌসুমে সীমাবদ্ধ নেই। যেকোনো সময়ই মানুষের ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
ভিডিও বার্তায় তারেক রহমান বলেন, বর্ষাকালে জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে এডিস মশা জন্মায়। তিন দিন পানি জমে থাকলেই সেখানে মশা জন্মাতে পারে। কীটতত্ত্ববিদ এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মশার প্রজনন নিয়ন্ত্রণের জন্য ড্রেন, ডোবা, নর্দমার মতো যেসব জায়গায় পঁচা পানি জমে থাকার সুযোগ রয়েছে, সেগুলো পরিষ্কার করে রাখাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। সুতরাং, ফুলের টব, ড্রাম, বালতি, পরিত্যাক্ত টায়ার, ডোবা, বাড়ি বা বাসার ছাদে পানি জমতে দেবেন না। পানির ট্যাংক ঢেকে রাখা জরুরি। প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে একবার বাড়ি বা বাসার ভেতর-বাহির পরিষ্কার রাখুন।
মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বর্ষা মৌসুমের আগে থেকেই সরকার আগামী ১৪ মার্চ থেকে প্রতি সপ্তাহে সারা দেশে পরচ্ছিন্নতা অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে। এই অভিযানে স্থানীয় প্রশাসন কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করছে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি এলাকার জাতীয় সংসদ সদস্যসহ সর্বস্তরের জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আমার আহ্বান, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতি সপ্তাহের শনিবার আপনারা যার যার এলাকার নিজ নিজ বসতবাড়ি এবং আশপাশের এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করুন। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান চললে, আসন্ন দিনে ডেঙ্গু কিংবা চিকুনগুনিয়ার মতো প্রাণঘাতী জ্বর থেকে জনগণ নিজেদের রক্ষা করতে সম্ভব হবে, ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, সরকারের জাতীয় স্বাস্থ্যনীতির মূলনীতি হচ্ছে—প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর, অর্থাৎ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। অতএব, কোথাও ময়লা পানি জমে থাকতে দেবেন না। নিজের বাসাবাড়ি এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখুন।
এডিস কিংবা চিকুনগুনিয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করুন; নিজেদের রক্ষা করুন, অপরকেও রক্ষা করুন।
৯ দিন আগে
‘চলেন যুদ্ধে যাই’: অফিসে যাওয়ার পথে বললেন প্রধানমন্ত্রী
সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস শুরু করতে আজ রবিবার সকালে বাসভবন থেকে বেরোনোর সময় হাসিমুখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, চলেন যুদ্ধে যাই।
তার এ চমকপ্রদ মন্তব্যটি গুলশানের বাসভবনের বাইরে অপেক্ষমাণ কর্মকর্তাদের অবাক করে দেয়। তবে মুহূর্তের মধ্যেই তারা বুঝতে পারেন যে, দেশ পরিচালনা এবং জাতীয় চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার প্রাত্যহিক সংগ্রামকেই তিনি ‘যুদ্ধ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকাল ৮টা ৪২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য তার বাসভবন ত্যাগ করেন।
যথারীতি বাসা থেকে বের হওয়ার আগে ব্যক্তিগত কর্মী ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা প্রস্তুত ছিলেন। দরজা খোলার পর প্রধানমন্ত্রী তাদের বলেন, ‘কেমন আছেন আপনারা? চলেন যুদ্ধে যাই।’
রুমন জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী। আজও সারাদিন বেশ কয়েকটি বৈঠক আছে তার। প্রধানমন্ত্রীর আজকের অনুষ্ঠান সূচির মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে।
১২ দিন আগে