চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিংয়ে গ্যারেজে ঢুকে এক নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা করার মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে এজাহারনামীয় ৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ।
গ্রেপ্তাররা হলেন— শেখ আহমেদ রুবেল (৩৫), মো. সাইফুল ইসলাম (২৭), মনিরুজ্জামান মামুন (২৮), মো. জামাল উদ্দিন মিজান (৪৫), মো. গোলাম রব্বানী (৫৫), মো. আবুল বাশার (৩৯) ও পেয়ার আহাম্মদ (৫৫)।
নিহত নিরাপত্তাকর্মীর নাম আবু সিদ্দিক। গত ১৫ জুলাই রাত ১০টার দিকে ডবলমুরিং এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
ফয়সাল আহম্মেদ জানান, হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন ব্যক্তি সংঘবদ্ধভাবে গ্যারেজে প্রবেশ করে নিরাপত্তাকর্মী আবু সিদ্দিকের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা তাকে কিল-ঘুষি ও এলোপাতাড়ি মারধর করেন।
একপর্যায়ে হামলাকারীদের একজন গ্যারেজে থাকা রিকশার চাকার লোহার রিং দিয়ে সিদ্দিকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত করেন। হামলার একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে গ্যারেজের ভেতরে থাকা একটি মিনি পিকআপে মরদেহ রেখে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে মামলার বাদী মো. আসলাম (৩৪) এজাহারে উল্লেখ করেন।
এ ঘটনায় আজ সকালে ডবলমুরিং মডেল থানায় মামলা করা হয়।
মামলা করার পর ডবলমুরিং মডেল থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিংয়ে গ্যারেজে ঢুকে এক নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা করার মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে এজাহারনামীয় ৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ।
গ্রেপ্তাররা হলেন— শেখ আহমেদ রুবেল (৩৫), মো. সাইফুল ইসলাম (২৭), মনিরুজ্জামান মামুন (২৮), মো. জামাল উদ্দিন মিজান (৪৫), মো. গোলাম রব্বানী (৫৫), মো. আবুল বাশার (৩৯) ও পেয়ার আহাম্মদ (৫৫)।
নিহত নিরাপত্তাকর্মীর নাম আবু সিদ্দিক। গত ১৫ জুলাই রাত ১০টার দিকে ডবলমুরিং এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
ফয়সাল আহম্মেদ জানান, হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন ব্যক্তি সংঘবদ্ধভাবে গ্যারেজে প্রবেশ করে নিরাপত্তাকর্মী আবু সিদ্দিকের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা তাকে কিল-ঘুষি ও এলোপাতাড়ি মারধর করেন।
একপর্যায়ে হামলাকারীদের একজন গ্যারেজে থাকা রিকশার চাকার লোহার রিং দিয়ে সিদ্দিকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত করেন। হামলার একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে গ্যারেজের ভেতরে থাকা একটি মিনি পিকআপে মরদেহ রেখে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে মামলার বাদী মো. আসলাম (৩৪) এজাহারে উল্লেখ করেন।
এ ঘটনায় আজ সকালে ডবলমুরিং মডেল থানায় মামলা করা হয়।
মামলা করার পর ডবলমুরিং মডেল থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।