সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ছয় মাসে বাকস্বাধীনতা, আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ মানদণ্ড দেখানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। তিনি বলেছেন, এই সময়ে কোনো রাজনৈতিক নিপীড়ন হয়নি এবং সরকারের ধৈর্য ও সহনশীলতার কারণে দেশে মতপ্রকাশের সুযোগ সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সরকারের গত ছয় মাসের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহ্দী আমিন বলেন, ‘গত ছয় মাসে বাকস্বাধীনতা, আইনের শাসন এবং মানবাধিকারের ক্ষেত্রে আমরা সর্বোচ্চ মানদণ্ড স্থাপন দেখেছি; যেখানে একটি বারের জন্য কখনো কোনো রাজনৈতিক নিপীড়ন হয়নি। আমরা দেখছি সর্বোচ্চ বাকস্বাধীনতা, অনেক সময় অনেকে সেই সীমা লঙ্ঘন করেছে। আমরা দেখেছি কীভাবে উস্কানি দেওয়া হয়েছে, অশোভন আচরণ করা হয়েছে, কিন্তু তারপরও সরকারের সর্বোচ্চ ধৈর্য এবং সহনশীলতার মাধ্যমে ঠিক যেভাবে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেটিকে ধারণ করেই এগিয়ে চলেছে জনগণের সরকার।’
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর জনগণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে নিজেদের পছন্দের প্রার্থী ও দলকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেওয়া সরকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব, জবাবদিহি, স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতাকে ধারণ করে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘২০১৪ সালের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন, ২০১৮ সালের নিশিরাতের নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের ডামি ভোটের নির্বাচন পেরিয়ে এই প্রথমবারের মতোই জনগণ নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে, নিজেদের পছন্দের দলকে ভোট দিতে পেরেছে।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, খালেদা জিয়ার জানাজা ও নির্বাচনি প্রচারণায় জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে মাহ্দী আমিন বলেন, সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা ও সমর্থনের প্রতিফলন এসব ঘটনাতেও দেখা গেছে। গত ছয় মাসে প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন জনসম্পৃক্ত কর্মসূচিতেও একই ধরনের জনসম্পৃক্ততা দেখা গেছে বলে তিনি জানান।