চোর সন্দেহে ময়মনসিংহের ভালুকায় মো. সুজন মিয়া (২৭) নামে এক যুবককে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার পর সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে গাজীপুরের শ্রীপুরে এনে ফ্লাইওভারের নিচে ময়লার স্তূপে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সুস্থ করার চেষ্টা করলেও তার মৃত্যু হয়।
নিহত সুজনের বাড়ি শেরপুর জেলায়।
ঘটনাটি গেল সোমবারের (৭ সেপ্টেম্বর)। ওই দিন সন্ধ্যায় ভালুকার জামিরদিয়া মাস্টারবাড়ি এলাকায় একটি ইলেকট্রনিক্স পণ্যের দোকানে চুরির অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় সুজনকে চোর সন্দেহে কয়েকজন মারধর করেন। মারধরে সুজন গুরুতর আহত হলে তাকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে দেওয়া হয়। পরে কয়েকজন তাকে শ্রীপুরের জৈনা বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ফ্লাইওভারের নিচে ময়লার স্তূপে ফেলে রেখে যান বলে জানান স্থানীয়রা।
রক্তাক্ত অবস্থায় ময়লার স্তূপে পড়ে থাকা সুজনকে স্থানীয়রা দেখতে পান। তারা তাকে উদ্ধার করে মাথায় পানি ঢেলে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করেন। তবে কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে সোমবার দিবাগত রাতে শ্রীপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সুজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গাজীপুর শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনূর আলম জানান, চুরির সন্দেহে ভালুকার মাস্টারবাড়ি এলাকায় সুজনকে মারধরের পর সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে জৈনা বাজারে ফেলে যাওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং নিহতের স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।