জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২৮ মার্চ) পৃথক শোকবার্তায় তারা শোক প্রকাশ করেন।
শোকবার্তায় স্পিকার ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান এবং মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে মরহুমা দিলারা হাফিজের অসামান্য অবদানের কথা জাতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ রাখবে।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার শোকবার্তায় বলেন, মরহুমা দিলারা হাফিজ একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবী ছিলেন। তার মৃত্যুতে জাতি একজন সজ্জন শিক্ষাবিদকে হারাল।
তিনিও মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
দিলারা হাফিজ সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ (শনিবার) স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৯ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি স্বামী, এক ছেলে, এক মেয়ে ও নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধ্যায় তার মরদেহ দেশে আনা হবে। তিনি জানান, আগামী ৩০ মার্চ বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তার প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের কেন্দ্রীয় মসজিদে জোহরের নামাজের পর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
কর্মজীবনে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত ছিলেন দিলারা হাফিজ। তিনি ইডেন মহিলা কলেজ ও সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তী সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে তিনি অবসর গ্রহণ করেন।