কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে বাল্কহেডের সঙ্গে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পিলারের ধাক্কায় নিখোঁজের ৩৫ ঘণ্টা পর ঝিনাইদহের শৈলকূপা পৌর ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুজ্জামান রকির (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে পদ্মা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিরুল আরাফাত এবং ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জায়েদুর রহমান মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গেল শুক্রবার রাতে পদ্মা নদীতে যাত্রী বহনকারী বাল্কহেডটির সঙ্গে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পিলারে ধাক্কা লাগে। এ সময় রকিসহ তিনজন নিখোঁজ হন। পরে দুজনকে উদ্ধার করা হলেও রকি নিখোঁজ ছিলেন। ওই রাতেই উদ্ধার অভিযান শুরু করে ভেড়ামারা উপজেলা প্রশাসন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঝিনাইদহের শৈলকূপার কাতলা গাড়িঘাট থেকে ১২৩ জন ভ্রমণকারী নিয়ে বাল্কহেডটি ভেড়ামারা উপজেলার সোলাইমান শাহ মাজারে আসে। নৌযানটিতে মাঝিসহ আরও কয়েকজন ছিলেন।
ভ্রমণকারীদের মাজারে বেড়ানো শেষে রাত সোয়া ৯টার দিকে বাল্কহেডটি হার্ডিঞ্জ ব্রিজের কাছে পৌঁছায়। এ সময় স্রোতের প্রচণ্ড ধাক্কায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ৪ নম্বর পিলারের সঙ্গে বাল্কহেডের পেছনের অংশের ধাক্কা লাগে। এতে রকি, লিটন ও ওহাব নদীতে পড়ে যান। সে সময় লিটন ও ওহাবকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও রকি নিখোঁজ ছিলেন।
উদ্ধার কাজ চলাকালে বাকি ভ্রমণকারীরা পদ্মা নদীর বাহিরকচর অংশের পুরোনো ফেরিঘাট এলাকায় অবস্থান নেন।
ঘটনাস্থলে ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিস, ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিস ও নৌ পুলিশ যৌথভাবে নিখোঁজ রকিকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।