প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণে উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায়। এবার শোলাকিয়ায় অনুষ্ঠিত হলো ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত।
নিরাপত্তাব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই হয়েছে ঈদের জামাত। সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত জামাতে ইমামতি করেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ ছাইফুল্লাহ।
এবারের ঈদ জামাতে বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শরীফুল আলমসহ কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ ও জেলা প্রশাসক এবং মাঠ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা মাঠে নামাজ আদায় করেন।
আগত মুসল্লিদের প্রত্যেককে তল্লাশি করে মাঠে প্রবেশ করানো হয়। জেলার স্থানীয় মুসল্লিসহ দেশ-বিদেশের পাঁচ লক্ষাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণে এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
নামাজ শুরুর ঘণ্টাখানেক আগেই পুরো মাঠটি মুসল্লিতে ভরে যায়। পরবর্তীতে আগত মুসল্লিরা মাঠে জায়গা না পেয়ে পাশের রাস্তায়, বিভিন্ন বাড়ির আঙ্গিনায় নামাজ আদায় করেন।
এ সময় নিরাপত্তার জন্য ১১০০ পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হয়। সেই সঙ্গে ছিল সেনাবাহিনী ৪ প্লাটুন, র্যাবের ৬টি টিম, ৫ প্লাটুন বিজিবিসহ সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যরা। মাঠের ভেতরে নির্মিত ৬টি ওয়াচ টাওয়ার থেকে সার্বক্ষণিকক নজরদারি করে পুলিশ প্রসাশন।
এই জামাতে অংশ নেওয়ার সুবিধার্থে ‘শোলাকিয়া এক্সপ্রেস’ নামে দুটি স্পেশাল ট্রেন দিয়েছিল বাংলাদেশ রেলওয়ে।
রেওয়াজ অনুযায়ী জামাত শুরুর আগে মুসল্লিদের সংকেত দিতে শটগানের ৬টি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। ৩টি গুলি করা হয় জামাত শুরুর ৫ মিনিটি আগে, ২টি ২মিনিট আগে এবং শেষটি জামাত শুরুর ১ মিনিট আগে।